সূরা ফাতিহা, দুখন, ও সূরা হাশর এর ফযীলত? (কুরআন ও হাদিস)


সূরা ফাতিহা - দুখন ও সূরা হাশর ফযীলত-আমল কি কি? (কুরআন ও হাদিস)
সূরা ফাতিহা, দুখন, ও সূরা হাশর এর ফযীলত?

সূরা ফাতিহার ফযীলত?
১: সূরা ফাতিহাকে উম্মুল কুরআন বা কুরআনের মা বলা হয়, এ সূরা ফযীলত অপরিসীম। ওযূর সহিত এ সূরা পাঠ করে যে কোন রোগীর দেহে ফুঁক দিলে, রোগ ভাল হয়। 

২: জ্বরের রোগীকে এ সূরা পড়ে পানিতে ফুঁকিয়ে সে পানি রোগীকে খাওয়ালে জ্বর ছেড়ে যাবে।

৩: এ সূরা কাগজে লিখে দরজার উপর ঝুলিয়ে রাখলে ঐ ঘর নিরাপদ থাকবে।

৪: দৈনিক শেষ রাতে এ সূরা ৫২ বার পাঠ করলে তার সংসারে উন্নতি হবে এবং প্রশস্ত কাজ সহজভাবে হবে। 

৫: এ সূরা ফজর নামাজের পরে ২২৫ বার পাঠ করলে তার অন্তরের আশা পূর্ণ হবে।

৬: ভ্রমণে যাওয়ার সময় এবং ভ্রমণ থেকে ফিরবার সময় এ সূরা ৪১ বার পাঠ করলে আল্লাহর রহমতে পথে কোন প্রকার বিপদ-আপদ হবে না।

হাদীস শরীফে আছেঃ

অর্থঃ যে নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না তার নামাজ সম্পূর্ণ হল না। [ বুখারী ও মুসলিম ]


সূরা: দুখনের ফযীলত কি কি?

১: যে কোন প্রকারের ভয়াবহ বিপদ ও সমস্যা দেখা দিলে, পূর্ণ পবিত্রতার সাথে এক বৈঠকে নির্ধারিত সময়ে বিছমিল্লাহ্‌ সহকারে ৭ (সাত) বার 'সূরা দুখন' পাঠ করে, অতঃপর দুই রাকাত নফল নামায আদায় করে আল্লাহ্ পাকের দরবারে সাহায্য ও করুণা পার্থনা করবে। অতঃপর প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে একবার করে। বিসমিল্লাহ্ সহকারে 'সূরা দুখন' পাঠ করতে থাকবে। ইনশাআল্লাহ যাবতীয় বিপদাপদ হতে নিরাপদ থাকতে পারবে।

২: হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে হযরত রাসূলে করিম (সাঃ) এরশাদ করেন - যে ব্যাক্তি জুমআর রাতে 'সূরা দুখন' পাঠ করবে সকাল হবার আগে। তার সকল গোনাহের খাতা মাফ করে দেয়া হবে।

৩: হযরত আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে- যে ব্যাক্তি জুমআর রাতে অথবা দিনে সূরা দুখন পাঠ করবে আল্লাহ্পাক তার জন্য বেহেস্তে একটি স্বতন্ত্র ঘর নির্মাণ তরে রাখবেন। (কুরতুবী)


সূরা: হাশরের ফযীলত কি কি?

হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে যে, যে ব্যাক্তি প্রভাতে আউযুবিল্লাহিছ ছামিইল আলিমি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম। পাঠ করে আলোচ্য ২২, ২৩ ও ২৪ এই তিনটি আয়াত পাঠ করবে, আল্লাহ্ পাক তার কল্যাণ কামনার জন্য ৭০ হাজার ফিরিশতা নিযুক্ত করে দিবেন এবং সারাদিন তার জন্য কল্যাণ প্রার্থনা করবে এবং ঐদিন তার মৃত্যু হলে সে শহীদ বলে পরিগণিত হবে। (তিরমিযী ও দারমী)

১: যার সাধারণ বুদ্ধি বা ঙ্গান কম, মিশক, জাফরান ও গোলাপ জলের সাহায্যে কালি বানিয়ে চিনামাটির বাসনে পূর্ণ পবিত্রতার সহিত বিসমিল্লাহ্‌সহ সূরা হাশর লিখে গোলাপ জলে ধৌত করে ৪১ (এক চল্লিশ) দিন ভোরে খালি পেটে পান করবে। ইনশা"আল্লাহ্ তার ঙ্গানবুদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।

৩: গুরুত্বপূর্ণ কোন প্রয়োজনে দেখা দিলে পূর্ণ একাগ্রতা ও পবিত্রতার সাহি ৪ (চার) রাকাত নফল নামায আদায় করবে। প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পরে সূরা হাশর পাঠ করবে। নামায শেষে আল্লাহ্ পাকের দরবারে স্বীয় প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রার্থনা করবে। ইনশা"আল্লাহ্ অতি সত্বর প্রয়োজন পূর্ণ হবে।

আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুক। আমিন আমিন

©obohelajibon-blog/অবহেলা জীবন

Tags: সূরা ফাতিহা পড়ার ফযীলত
Tags: সূরা: হাশর পড়ার ফযীলত
Tags: সূরা: দুখন পড়ার ফযীলত

keywords: সূরা ফাতিহার ফযীলত কি কি, কোরআন ও হাদিস সূরা ফাতিহার ফযীলত কি কি?, সূরা হাশরের আমল কি কি?, সূরা দুখন পড়ার আমল কি কি?

Post a Comment

0 Comments