কোরবানীর ফযীলত ও করণীয় কি কি?


image google

কোরবানীর ফযীলত ও করণীয় কি কি?

সামনে আগত আমাদেরি তথা মুসলমানদের বড় খুশির দুইটি দিন থেকে একটি দিন আর তা হলো কোরবানের ঈদ।

কোরবান অর্থ: ত্যাগ এই মুসলমানরা তাদের নিজের কিছু অর্থকে পশু জবাইয়ের মাধ্যমে ত্যাগ দিয়ে থাকেন। আল্লাহ তায়ালা কে সন্তুষ্ট করার জন্য। আর মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন ও তাঁর বান্দার উপর খুশি হয়ে বিশাল ছাওয়াবের ভান্ডার বান্দার আমল নামায় লিখে দেন।

হাদিস,
سُأِل رسول الله صلى الله عليه وسلم، ما هذه الاضاحى يارسول الله صلى الله عليه وسلم؟فقال سنة ابيكم ابراهيم عليه السلام، وقالو ما لنا فى هذه يا رسول الله صلى الله عليه وسلم؟فقال بكل شعرة حسنة ،فالصوف يا رسول الله صلى الله عليه وسلم؟فقال بكل شعرة من الصوف حسنة
سنن ابن ماجه ،الأضاحي/ ثواب الأضحية ص: ٢٢٦
رقم:٣١١٧
অর্থ: সাহাবায়ে কেরাম রাসুল সাঃ কে জিজ্ঞেস করলেন কোরবানের তাৎপর্য কি? রাসুল সাঃ বল্লেন এটি তোমাদের পিতা ইব্রাহিম (আঃ) এর সুন্নাত তারপর জিজ্ঞেস করলেন এতে আমাদের লাভ কি? তিনি বল্লেন প্রতিটি লোমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে, (সাহাবাগণ) হতবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন ভেড়া ও দুম্বার বেলায় কি? তিনি তার উত্তরে বল্লেন বকরির প্রতিটি লোমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে।
সুনানে ইবনে মাজাহ:
অধ্যায়: সাওয়াবুল উযহিয়্যাহ
পৃষ্ঠা :২২৬

এর দ্বারা প্রতিয়মান হয় যে কোরবানির অনেক ফযীলত যার পূণ্য অপরিসীম। তবে মুসলমান এই অপরিসীম পূণ্যের অধিকারি তখনি হবে যখন তার কোরবানি একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্টি করার জন্যই হবে এতে অন্য কিছুর আশা করা যাবে না। গোস্ত খাওয়া, লোক দেখানো ইত্যাদি।

রাসুল (সাঃ) বলেন انما الأعمال باالنيات অর্থাৎ: সমস্থ কাজেই নিয়তের উপর নির্ভরশীল।
তাই নিয়ত থাকতে হবে আল্লহর সন্তুষ্টি লাভ করা। আর মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি বান্দার মনে কি আছে তা দেখেন।

মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন কালামে পাকের মধ্যে বলেন,

لن ينال الله لوحدها ولا دمائها ولاكن يناله التقوي منكم كذا لك سخّرها لكم لتكبر الله علي ما هداكم .وبشر المحسنين ،

অর্থ: এগুলির গোস্ত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, পৌছে শুধু মাত্র তোমাদের অন্তরের তাক্বওয়া এমনিভাবে তিনি সেগুলো কে তোমাদের বশ করে দিয়েছেন যাতে তোমরা আল্লাহর মহত্ব ঘোষনা করো। এই কারণে তিনি তোমাদের পথ পদর্শন করেছেন, হে নবি আপনি সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।
সুরা হজ্ব 'আয়াত: ৩৭

সুতরাং কোরবানি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যেই হতে হবে, না হয় তা হবে গোস্ত খাওয়া মাত্র এবং পাবে লোক জনের বাহ বাহ।
তাই কোরবান হতে হবে আল্লাহর জন্য। তাহলেই এ কোরবান হবে সার্থক আর নাজাতের উছিলা, আল্লাহ সবাইকে নিয়ত ঠিক রেখে কোরবানি দেওয়ার তওফিক দান করুন, আমিন।

কোরবানের সম্পর্কে লেখাটি লিখেছেন হাঃ মোঃ সাজ্জাদুর রহমাম

©obohelajibon-blog/অবহেলা জীবন

Tags: কোরবানের ফজিলত, কোরবান কিভাবে করবো, কোরবানের ফরয কি কি, কোরবানের সম্পর্কে হাদিসে কি বলা আছে, কোরবানের সম্পর্কে, কোরবানের ফরয কি কি, কোরআন ও হাদিস কোরবান সম্পর্কে


Post a Comment

0 Comments