সময়ের মূল্য দেওয়া কি উচিত?


জীবন মানি সময়। টাইম / obohelajibon.info

সময়ের মূল্য দেওয়া কি উচিত?

মানুষের জীবনে সময়ের মূল্য যে কত বেশী গুরুত্বপূর্ণ তা মিয়া সাহেব [শাহ আসগর হোসাইন (রহঃ) কত সুন্দর ভাবেই না বুঝিয়েছেন। তিনি বলেছেন আমাদের জীবনের খুব সামান্য অংশই অবশিষ্ট আছে, এখনতো একটু সাবধান হওয়া দরকার, একে খুব বুঝে শুনে ব্যয় করা দরকার, দুনিয়ার সাথে সম্পর্ক কমিয়ে ও ছিন্ন করে আখিরাতের সম্বল হাসিল করা দরকার। সল্ ফে সালেহীনের (পূর্ববর্তী মনীষীদের) বয়স যখন চল্লিশ হয়ে যেত, তখন তাঁরা আখিরাতের কথা চিন্তা করে ব্যবসা বানিজ্য অন্যের হাতে তুলে দিয়ে, নিজ নিজ পরকালের সম্পদ অর্জন করার চেষ্টায় লেগে যেতেন। চিন্তা করা দরকার যে, যাদের বয়স ৪৫ বা ৫০ হয়ে গেছে, তাদের জীবনের আর কতটুকুইবা বাকি আছে ? সময় খুব চিন্তা ভাবনা করে খরচ করা দরকার। আর যাদের বয়স ৬০ বা তার উপরে হয়েছে, তাদের ভাবা তাদের ভাবা উচিৎ যে, প্রতি বছরেই তাদের বয়সের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। আর যারা ৭০ পেরিয়েছেন তারা তো প্রতিদিনই প্রবৃদ্ধি লাভ করছেন। এর কদর করা দরকার, আখিরাতের ফিকির করা উচিত। এ কথাকেই এক বুযুর্গ কবিতা আকারে এভাবে বলেছেন।


আখিরাতের ফিকিরে মগ্ন হওয়াকে জরুরী ভাবো
কর্ম যেমন, নিশ্চিতভাবে তেমনিতো ফল পাবো।

মরতে তো হবে একদিন জেনো নিশ্চয় সকলের
ভাল যা করার করে নাও ভাই সময় পাবেনা ফের।

আখিরাতের যাত্রী হবে যে, খবর কি তোমার নেই
বিদায় লগ্নে খবর হবে রে সময় যে আর নেই।

যা সামান বাধার বেধে নাও ওরে ও মরণ যাত্রী
নিঃশেষ হবে তোমার আমার মোহিনী ধরিত্রী।

মরতেতো হবে একদিন জেনো নিশ্চয় সকলের
ভাল যা করার করে নাও ভাই সময় পাবে না ফের।


Post a Comment

0 Comments