মানসীক শান্তি পাওয়ার ১৮ টি উপায়! (ইসলামিক ও জীবন)


image Google
ইসলামিক ও জীবন

মানসীক শান্তি পাওয়ার ১৮ টি উপায়!

১। যে ব্যাক্তি দ্বীনের কাজ এক্বীনের সাথে করবে তার মনে দ্বীনের কাজ স্থায়ী হবে।

২। প্রতিদিন দ্বীনের দাওয়াত দিলে মনের আকাঙ্খা পুরন হয়। দ্বীনের দাওয়াত না দিলে মনের আকাঙ্খা অপূর্ণ থাকবে।

৩। দ্বীনের পরিবেশে থাকলে মনে শান্তি আসে। দ্বীনি পরিবেশ থেকে এড়িয়ে চললে তার মনের শান্তিও চলে যায়।

৪। দ্বীনের কাজে বাধা সৃষ্টি করলে রহমত থেকে দূরে চলে যাবে।

৫। যে ব্যাক্তি আমীরের হুকুম মান্য করে এবং পরামর্শ করে কাজ করে, তাহলে তার ইমান মজবুত হয়।

৬। অপরের দোষ তালাশ করলে মনে অশান্তি আসে। অপরের ভালো দেখলে মনে শান্তি আসে।

৭। ভদ্রভাবে চললে মনে শান্তি আসে। অহংকার করে চললে মনে অশান্তি আসে।

৮। কতিপয় গুনাহে্র কাজের দ্বারা নেক কাজ থেকে বঞ্চিত হতে হয়। যেমন ঃ (ক) গীবত করা [ পরের নিন্দা করা ] (খ) অসৎ উদ্দেশ্য (গ) সমালোচনা (ঘ) কু-নজর (ঙ) কামভাব ইত্যাদি।

৯। যে ব্যাক্তি অনুতাপ, তওবা-ইস্তেগফার অবস্থায় চলবে তার মনে শান্তি আসবে।

১০। যে অপরের ভুল-ক্রটির দায়িত্ব নিজের জিম্মায় নেবে তার মন শান্ত থাকবে। যে নিজের দোষের দায়-দায়িত্ব অপরের কাঁধে ফেলবে তার মনে শান্তি আসবে না।

১১। মুসলমান বেশে মুনাফিকগন রাসূলে পাকের সাথে চলেছে, তাতে তাদের কোন লাভ হয় নি এবং তাদের ঈমানও নসীব হয় নি।

১২। যে অপরের ভুল কথার ভালো ব্যাখ্যা দিবে তার মনে শান্তি আসবে। আর যে ভুল ব্যাখ্যা দিবে তার মনে শান্তি আসবে না।

১৩। যে ব্যাক্তি আল্লাহ্কে স্মরণ করে ভীত-কম্পিত এবং প্রার্থনা করে চলবে তার মন শান্তি থাকবে। মনের শান্তির জন্য আল্লাহর নিকট মোনাজাত করতে হবে। না হয় মন চিন্তিত হবে।

১৪। হুজুরে পাক (সাঃ) নিজের মন অটল থাকার জন্য দোয়া করতেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও মনের অটলতার জন্য দোয়া করেছেন। হে আল্লাহ্ মূর্তিপূজকদের মূ্র্তি পূজা থেকে বাঁচাও। অথচ তাদের থেকে মূ্র্তি পূজা কল্পনা করাও ইমানের পরিপন্থী। তা সত্যেও তারা মূর্তি পূজা থেকে পানাহ্ চেয়েছেন। আমরা তাদের তুলনায় কিছুই না।

১৫। যে ব্যাক্তি খালেছ নিয়তে আল্লাহর রাস্তায় কোরবানী দিবে, আল্লাহ্ তায়ালা তাকে সর্ব ক্ষেত্রে অটল রাখবেন। যখন মানুষের মন টলমল হবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তখন উঁচু স্তরের সন্তুষ্টি তাকে দান করা হবে।

১৬। যদি কেউ মনে করে যে, তার দ্বারা সমস্ত কাজ সমাধা হয়, তা হলে সে বঞ্চিত হবে। আর যদি কোন লোক সম্বন্ধে এমন ধারণা করে যে, তার দ্বারাই সকল কাজ সমাধা হচ্ছে, তাহলে আল্লাহ তায়ালা তাকে নিজের দিকে ডেকে নিবেন।

১৭। হযরতজী (রঃ) বলতেন, যে নকল (অনুকরণ) করতে অক্ষম সে আসলের উপর কিভাবে অটল থাকবে? আমরা সকলেই নকল করে থাকি। 

১৮। আল্লাহ তায়ালা ঐ ব্যক্তির অন্তরের নেক বাসনা সারা প্রথিবীর বুকে ছড়িয়ে দিবেন, যে সমস্ত উম্মতের মঙ্গলের ফিকির নিয়ে চলাফেরা করবে। 

©obohelajibon-blog/অবহেলা জীবন

Tags: ইসলামিক ও জীবন, মানসীক শান্তি কিভাবে পাবো, মানসীক অশান্তী কিভাবে দুর করবো, মানসীক রোগ, মানসীক অসুস্থ, মানসীক মুক্তির উপায় কি, মানসীক কষ্টের উপায়, মানসীক কষ্ট থেকে বাহির, মানসীক দুর করার আমল কি কি, কোন সুরা পড়লে মানসীক শান্তি পাবো, মানসীক শান্তি পাওয়ার কি কি করবো,

Post a Comment

0 Comments