পর্দার প্রয়োজনীয়তা নিজের সতীত্ব রক্ষা করার জন্য আমি বোরকায় আশ্রয় নিয়েছি.




পর্দার প্রয়োজনীয়তা নিজের সতীত্ব রক্ষা করার জন্য আমি বোরকায় আশ্রয় নিয়েছি.

আজকে সমাজে আল্লাহর এই বিধান অনেকটাই অবহেলিত. তবে এই পর্দা নারী সমাজকে রক্ষা করতে অনেক বড় ভুমিকা রাখে. সেটা হয়তো সবসময় আমরা বুঝে উঠতে পারিনা।

এক হিন্দু মেয়ে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন স্টুডেন্ট, সে ছুটিতে বারিতে আসে বেড়ানোর জন্য তার বাবা বড় ভাই তার গায়ে দেখে বোরকা মুখে হিজাব এসব তারা ধারনা করতে লাগলো যে তাদের মেয়ে ধর্ম ত্যাগ করে পেলেছে।

সবাই তাকে বকাঝকা করা শুরু করছে, তুই কিভাবে পারলি বাপদাদার ধর্ম ত্যাগ করতে তোর এতো বড় সাহস.? অবশেষে সে তাদের কে বুঝাতে সক্ষম হলো যে আমি ধর্ম ত্যাগ করিনি, শুধু মাত্র নিজের সতীত্বকে রক্ষা করার জন্য আমি বোরকার আশ্রয় নিয়েছি.

সে তার বাবা কে মূল ঘটনা খুলে বললো. একদিন সে ভার্সিটিতে যাবার পথে কিছু বখাটে ছেলে তার পথ আটকায় কথা বলার জন্য কিন্তু তাদের মতিগতি বলছেনা যে তারা কথা বলেই ছেড়ে দিবে. তাই ঐ মেয়েটা একটা কৌশল অবলম্বন করে বললো. দেখ তোমরা কালকে এখানে থেক আমি আগামি কালকে তোমাদের সাথে কথা বলবো আজ একে বারেই হাতে সময় নাই. দেরি করলে ক্লাস পাবোনা.

তার এই বুদ্ধি কাজে লাগে. ছেলে গুলো তাকে ছেড়ে দেয়. পরের দিন ছেলে গুলো অপেক্ষা ঐ মেয়েটার জন্য কিন্তু সে যে কোন ভাবে তাদের অজান্তে. কিন্তু মেয়েটি ভাবতে লাগলো আজ না হয় যে কোন ভাবে বাঁচতে পারলাম কিন্তু একদিন না একদিন ওরা তো আমাকে ধরে পেলবে এই চিন্তা থেকে মুক্তির জন্য সে তার রুমমেট কে বিষয় টি জানায় তার রুমমেট ছিলো মুসলিম. সে তাকে পরামর্শ দেয় যে তুমি এই বিপদ থেকে মুক্তি পেতে হলে আমার বোরকা পরে যেতে পারো ক্লাসে।

এছাড়া আর কোন উপায় নাই. তো হিন্দু মেয়েটি বোরকা পরে ভার্সিটিতে যায় কিন্তু ঐ ছেলে গুলো তাকে চিনতেই পারলোনা এবং সে ঐ ছেলে গুলির পাশ দিয়েই হেঁটে গিয়েছিলো.পরে মেয়টি নিয়মিত বোরকা পরা শুরু করে দেয় যেখানেই যায়। এরপর সে তার বাবা কে লক্ষ্য করে বলে বাবা আজ যদি তোমার মেয়ে বেঁচে থাকে এই বোরকার জন্যই বেঁচে আছে. আজ যদি তোমার মেয়ের সতিত্ব টিকে থাকে তা ও এই বোরকার জন্যই. আপসোস এই পর্দা আজকে আমাদের সমাজে হয়তো অবহেলিত না হয় ফ্যাশন। হে বোন পর্দাকে অবহেলা না করে সেটাকে নিজের জিবনে ঘঠন করে নাও তাহলেই তুমি দুনিয়াতে কলঙ্কিতা আর আখেরাতে জাহান্নামি হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

পোস্ট লিখেছেন: সাজ্জাদুর রহমান

Post a Comment

0 Comments