আপনি জানেন কি স্বাস্থ্যকর খাবার কতটা অস্বাস্থ্যকর?



আপনি জানেন কি স্বাস্থ্যকর খাবার কতটা অস্বাস্থ্যকর?

সুস্বাস্থ্যের জন্য অনেকেই বেছে নেন স্বাস্থ্যকর খাবার। অনেক ক্ষেত্রে লোকমুখে শুনে কিংবা নানা সূত্রে জেনে খাবার তালিকায় রাখা হয় স্বাস্থ্যকর খাবার।

এক্ষেত্রে অনেক সময় খাবারের ভালো গুণ বিবেচনায় এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অজানা থেকে যায়। তবে স্বাস্থ্যকর খাবার যে সবসময় স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন হবে তা কিন্তু নয়, অধিক গ্রহণের ফলে হিতে বিপরীতটাও ঘটতে পারে। আসুন জেনে নেই কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারের অস্বাস্থ্যকর দিকগুলো-

লাল চাল

আমরা সবাই জানি লাল চাল সাদা চাল তুলনায় বেশি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। যাতে আছে ফাইবার, ভিটামিন বি এবং প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। তবে এটি অনেকেরই জানা নেই, লাল চালে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্ষতিকর আর্সেনিক। যা সাদা চালের তুলনায় ৮০ ভাগ বেশি। সাদা চাল প্রক্রিয়াকরণের ফলে ক্ষতিকর আর্সেনিকের স্তর বাদ পড়ে যায়। কিন্তু লাল চালে তা থেকেই যায়। তাই লাল চাল অধিকমাত্রায় গ্রহণ করলে আর্সেনিক সংক্রামণের ঝুঁকি থাকে।

কফি

সকালে ঘুমঘুম ভাব কাটাতে বা দিন শেষে ক্লান্তি দূর করতে অনেকেই দ্বারস্থ হন এক কাপ কফির। এটাও আমাদের জানা যে কফিতে আছে এ্যান্টিঅক্সিডেন যা কিনা এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে। তবে জেনে রাখা ভালো, প্রচুর পরিমাণ কফি পান করার ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, ঘুমের ব্যাঘাত হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়।

কিসমিস

কিসমিসের পুষ্টিগুণ বলে শেষ করা যাবে না। যেমন জ্বর, বদহজম বা ঘুমের সমস্যা দূর করতে এবং শরীরে রক্ত বৃদ্ধি করতে কিসমিস অতুলনীয়। প্রচুর পরিমাণ প্রাকৃতিক চিনি থাকায় এটি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

অলিভ অয়েল

প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন অলিভ অয়েল অন্যান্য তেলের তুলনায় বেশি স্বাস্থ্যকর। তবে অজান্তেই আমরা অলিভ অয়েলের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ বাড়তি ক্যালরি গ্রহণ করছি। দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েলে থাকে ২৩৮ ক্যালরি। অলিভ অয়েলে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবারের সাথে শরীরে প্রবেশ করছে বাড়তি ফ্যাট।

খেজুর

প্রচুর ক্যালরি সমৃদ্ধ ফল খেজুর শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তবে বেশি পরিমাণ খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষত ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত ক্যালরি থাকায় দেহে ফ্যাট বাড়াতে সাহায্য করে মরুদেশের এ ফল।

নারকেলের দুধ

নারকেলের দুধ হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে ওজন কমে। এক কাপ নারকেলের দুধে ক্যালরির পরিমাণ ৫৫২। তাই পরিমাণের বেশি গ্রহণে ফলে এর অতিরিক্ত ক্যালরি আবার ক্ষতির কারণ হয়েও দাঁড়াতে পারে।

সূত্র : বিবার্তা

Post a Comment

0 Comments