৬ টি জাহান্নামী নারী থেকে নিজেকে পরিহার করুন।



৬ টি জাহান্নামী নারী থেকে নিজেকে পরিহার করুন।

তওবা করুণ ফিরে আসুন ইসলামের ছায়া তলে. একবার তওবার দরজা বন্ধ হয়ে গেলে সেই সুযোগও আর থাকবে না? আসল জীবন পরকাল তাই আসুন পরকাল মুখি হই? একবার আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ও ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে দেখা করতে আসেন এবং এসে দেখেন যে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একাকী বসে কাঁদছেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার পিতামাতা আপনার জন্য কোরবান হোক,আপনি কাঁদছেন কেনো? নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন জানালেন যে, মিরাজের রাত্রিতে আমি আমার উম্মতের নারীদেরকে জাহান্নামের ভয়ানক আজাবে গ্রেফতার দেখতে পেয়েছি।তারপর নবীজী (সাঃ) নারীদের শাস্তির বর্ণনা করলেন, হাদিস অনেক বড়। ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা তাদের গোনাহ সম্পর্কে জানতে চাইলে নবীজী (সাঃ) বলেন, তারা হলোঃ

১: ঐ নারী যে মাথার চুল খুলে বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে বের হয়। জাহান্নামে এরা নিজের মাথার চুল দ্বারা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে এবং ঐ সময় তার মাথার মগজ ফুটন্ত পানির ন্যায় টগবগ করে ফুটবে।

২: ঐ নারী যে তার স্বামীকে কটুকথার মাধ্যমে কষ্ট দেয় এবং স্বামীকে সম্মান করেনা। এরা স্বীয় জিহ্বায় ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে অর্থাৎ মুখ গহবর থেকে জিহ্বা টেনে বের করে সমস্ত শরীরের ওজন জিহ্বার উপর ছেড়ে দেয়া হবে।

৩: ঐ নারী যে বিবাহিত হয়েও পর পুরুষের সাথে সম্পর্ক রাখে। জাহান্নামে এরা স্বীয় স্তনে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে,অর্থাৎ সমস্ত শরীরের ওজন স্তনের উপর ছেড়ে দেয়া হবে।

৪: ঐ নারী যে অপবিত্র হওয়ার পর পবিত্রতা অর্জনে অলসতা করে এবং নামাজের অমনোযোগী হয়। এরা নিজ পদযুগল বক্ষে এবং হস্তদয় ললাটে আবদ্ধাবস্থায় জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে।

৫: ঐ নারী যে মিথ্যা কথা বলে এবং গীবত করে।
জাহান্নামে এদের চেহারা শুকরের মতো ও শরীর গাধার মতো হবে অসংখ্য সাপ বিচ্ছু দ্বারা বেষ্টিত থাকবে নাউজুবিল্লাহ আল্লাহ মাফ করুক।

৬: ঐ নারী যে অন্যের সুখ দেখে হিংসা করে এবং উপকার করে খোঁটা দেয়। এদের চেহারা কুকুরের মতো হবে। মুখ গহব্বরে জাহান্নামের আগুন প্রবেশ করে মলদ্বার দিয়ে বের হবে তার শাস্তি প্রয়োগে নিয়োজিত ফেরেশতাগণ তাকে কঠোরভাবে প্রহার করবে। আল্লাহ সবাইকে আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাই হেদায়ত নচিব করুক আমিন।

দলিলঃ
[সহীহ : বুখারী ৩০৪, মুসলিম ৮০, সহীহাহ্ ১৯০,
সহীহ আল জামি‘ ৭৯৮০, ইরও

obohelajibon/অবহেলা জীবন

Post a Comment

0 Comments