পড়তে বসে অলসতা দুর করার ৫টি টিপস যা আপনাকে পড়তে মন বসাবে!


image google

পড়তে বসে অলসতা দুর করার ৫টি টিপস যা আপনাকে পড়তে মন বসাবে!

সামনে সবারই পরীক্ষা এবং এই সময় আমরা চাই ফুল ফোকাস কনসেন্টেশন আর হার্ডওয়ার্কের সাথে পড়াশো না করতে। কিন্তু যে প্রবলেমগুলো আমাদের ফোকাস কনসেন্টেশন এবং হার্ডওয়ার্কের পথে বাধাঁ হয়ে দাঁড়ায় তার মধ্যে একটা হলো লেজিনেস বা অলসতা।আমরা চাই পরীক্ষার আগে এই সময়টা সম্পূর্ণ সৎ ব্যাবহার করে পড়ার জিনিসগুলো আবার রিভাইস করতে কিন্তু অলসতা আমাদের সেটা করতে দেয় না। তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো পড়ার সময় অলসতাকে কিভাবে আমরা দুর করতে পারি তার ব্যাপারে যাতে পরীক্ষার আগে বাকি সময়টার ১০০% ইউজ আমরা করতে পারি। তো চলুন পড়ে নেই আমরা কিভাবে পড়তে বসার সময় অলসতার সাথে মোকাবিলা করে তাকে দুর করতে পারি.

টিপস নাম্বার ০১: 

আমাদের মধ্যে অলসতা কাজ করার একটা বড় কারন হলো ফিউচারে পরীক্ষা কেমন হবে বা রেজাল্ট কেমন হবে সেই নিয়ে চিন্তা করে ভয় পাওয়া, আমরা যখন পড়তে বসে ভয় পাই। আমরা যখন পড়তে বসে ফিউচার নিয়ে নেগেটিভ চিন্তা করি। আমাদের মধ্যে টেনশন কাজ করে। খেয়াল করে দেখবেন শুরুতেই যদি নেগেটিভ চিন্তা কন্ট্রোল না করতে পারি তাহলে আমাদের মাইন্ড কিছুক্ষণ পরে এই টেনশন আর নিতে পারে না। আর আমরা মাইন্ডকে ডাইভার্ট করার জন্য আমরা মোবাইল ঘাটতে শুরু করি। বা অন্য কোনো কাজ করতে শুরু করি আবার কিছুক্ষণ পরে একবার চেষ্টা করি পড়ায় মন দেওয়ার। কিন্তু আবার নেগেটিভ চিন্তা যখনি আমাদের ঘিরে ধরে আমরা কন্সেন্টেট করতে পারি না, আর এই করতে করতে একসময় অলসতা আমাদের ঘিরে ধরে আর আমরা হাল ছেড়ে দিয়ে উঠে যাই বা ঘুমিয়ে পরি এর কারণ এতো টেনশন বা নেগেটিভ চিন্তা আমাদের এনার্জি অনেকটাই নষ্ট করে দেয় তাই অলসতাকে দুর করতে হলে আমাদের সবার আগে পড়তে বসে নেগেটিভ চিন্তা ভাবনাকে এভোইড করতে শিখতে হবে।

টিপস নাম্বার ০২: 

পড়তে বসে অলসতাকে কাটানোর জন্য আমাদের খাটে বসে বা শোয়ে পড়াকে এভোইড করা উচিৎ।  আমরা অনেকেই খাটে বসে পড়তে ভালোবাসি আমরা যেহেতু সারাদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমিয়ে কাটাই যখনই আমরা বিছানায় আরাম করে পড়তে বসি আমাদের মধ্যে অটোমেটিকলি একটা অলসতা কাজ করতে শুরু করে দেয়, আর অনেক সময় পড়ার পরেই আমাদের ঘুম পেয়ে যায় তাই আমাদের উচিৎ বিছানার বদলে কোনো টেবিলে বসে পড়ার চেষ্টা করা।

টিপস নাম্বার ০৩: 

পড়তে বসে অলসতা দুর করতে আপনার জন্য সুইটেবল টাইম খোঁজে বের করুন। আমাদের প্রত্যেকের পড়ার টাইম এর পারফর্মেন্স আলাদা আলাদা হয়। কারো সকালে ভালো পড়া হয়। কারো রাতে ভালো মন বসে আমাদের প্রত্যেকের বডি তার নিজস্ব বডি ক্লক এর সাথে কমফোর্টেবল কিন্তু আমরা যদি সেই সিস্টেমকে ব্রেক করতে যাই তখনি আমাদের বডির স্বাদ দেয় না এবং লেজিনেস বডির উপর কব্জা  করতে শুরু করে।  নতুন কোনো অভ্যেসে নিজেকে অ্যাডজাষ্ট  করাতে হলে এটা আমাদের বছরের প্রথম থেকে করা উচিৎ।  পরীক্ষার আগে যেই সিস্টেমে আমাদের বডি অলরেডি বহুদিন ধরেই অভ্যস্ত সেই সিস্টেমকেই ফলো করা উচিৎ তাতে অলসতা আসার চান্সও কমে যায়। এবং কম সময়ে অনেক বেশি পড়াও আমরা রিভাইস কর‍তে পারি।

টিপস নাম্বার ০৪: 

আমাদের বডি লেজি হওয়ার পিছনে আমাদের মাইন্ড অনেকটা দায়ী তাই আমাদের উচিৎ বডির সাথে সাথে নিজের মাইন্ডও লেজি হওয়া থেকে আটকানো।  এর জন্য উচিৎ পড়তে বসার আগে নিজেকে কিছু পজেটিভ এফারমেশন দেওয়া। কিছু পজেটিভ ভিজুয়ালাইজেশন করা এবং পড়া শুরু করার আগে যেকনোভাবে নিজেকে মটিভেট করে নেওয়া কারণ, শুরুটাই যদি আমরা মটিবেশনের সাথে করতে পারি। তাহলে প্রথম থেকেই আমরা অলসতাকে নিজে থেকে অনেকটা দুরে সরিয়ে রাখতে পারবো।

টিপস নাম্বার ০৫: 


পড়তে বসে অলসতাকে দুর করতে হলে যেই জিনিসটা সবচেয়ে বেশি দরকার সেই জিনিসটা হলো পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম। রাতে যদি ঠিকঠাক ঘুম না হয় তাহলে আমরা যাই করি না কেনো। পড়তে বসে অলসতা আমাদের ঘিরে ধরবেই আমাদের ঘুম পাবে। কারন আমাদের শরীরের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুমের অবশ্যই প্রয়োজন। তাই রাতে দেরি করে পড়লে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে ঘুমের টাইমটা যেনো আমরা ব্যাকাপ করে পেলতে পারি তাহলে সকালে একটু দেরিতে উঠে অথবা দুপুরে কিছু পাওয়ার নেপ নিয়ে নিতে হবে।


আশা করি এই টিপস গুলো আপনার পড়তে বসার সময় অলসতাকে দুর করতে সাহায্য করবে। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন যাতে অন্যরা পড়তে পারে।

খুব তারাতারি দেখা হচ্ছে  আরো একটি নতুন আর্টিকেলে ধন্যবাদ।


Post a Comment

0 Comments