এতো নেগেটিভ চিন্তা আসে কেনো? কিভাবে দুর করবো!


image google


আমাদের বেঁচে থাকার জন্য সব থেকে দরকারি জিনিস হল জল। একটা দিনও আমরা জল ছাড়া বাঁচতে পারি না। কিন্তু এই জল পান করার পরে তার ওয়েস্টের যদি আমরা কয়েক ঘন্টার মধ্যে আমাদের শরীর থেকে বের না করে দিই। তাহলে সেটাই আমাদের শরীরের শরীর খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

আমরা সকালে ব্রেকফাস্ট দুপুরে লাঞ্চ এবং রাতে ডিনারে নিজের পছন্দ মতো খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু খাবার হজম হওয়ার পর তার ওয়েস্ট আমাদের শরীর থেকে বেরিয়ে না যায়। তাহলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি আমরা প্রতি মুহূর্তে যে নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে বেঁচে থাকি। সেই নিঃশ্বাস যদি সামান্য কিছুক্ষণ শরীরের মধ্যে হোল্ড করে রাখি তাহলে আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

একটু চিন্তা করে দেখো এই নিয়ম কি আমাদের নেগেটিভ দিকে প্রযোজ্য নয়। রাগ ঘৃণা ভয় নিশা এই সমস্ত নেগেটিভ ইমোশনাল আমাদের মনের জন্য অনেকটাই ক্ষতিকর। এগুলো জানার পরও আমাদের মনের মধ্যে এটা দিনের পর দিন। বছরের পর বছর জমিয়ে রাখি। অফিসে যাওয়ার সময় বাসে বা ট্রেনে তর্কাতর্কি হলে তার রেশ অফিস অফ দি থেকে যাই।

অফিসের বস আমাদের কিছু বললে তার রেশ বাড়ি অব্ধি থেকে যায়। আর বাড়িতে কোন কিছু হলে তার রাগটা অন্য কারো উপর গিয়ে পড়ে। ভালোবাসার মানুষের সাথে ব্রেকআপ হলে সেই দুঃখ আমরা দিনের পর দিন আমাদের মনের মধ্যে রেখে দিই। অথবা জীবনে কোনো সমস্যা এলে নিজের উপরে আমরা এতটাই স্টেজ টেনশন নিয়ে পেলি।

আমরা বুঝতেই পারি না নিজের অজান্তেই নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে কতটা আঘাত করছি। শরীরের জন্য অতিরিক্ত ও ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য অটোমেটিক সিস্টেম আছে। কিন্তু মনের মধ্যে জমে থাকা এই নেগেটিভ ইমোশন গুলোকে কোন অটোমেটিক সিস্টেম নেই।

আর সে জন্যই আমাদের মনের মধ্যেই পদে পদে জমে থাকা রাগ ক্ষোভ ঘৃণা হিংসা ভয় চিন্তার মত নেগেটিভ ইমোশন। ধীরে ধীরে অ্যাংজাইটি ডিটেকশন আত্মবিশ্বাসের অভাব রূপে পরিনিত হয়ে যায়। এবং তার ইফেক্ট আমাদের কাজের জায়গায় আমাদের পার্সোনাল লাইফে এসে পড়ে। যেহেতু এই নেগেটিভ ইমোশনগুলো অটোমেটিকলি বাইরে বেরিয়ে যায় না। তাই এগুলো দুর করার জন্য আমাদের নিজেদের এই ব্যবস্থা নিতে হবে।

আমাদের রেগুলারলি আমাদের মনকে পজেটিভ ইম্প্রুভ দিতে হবে। আর সাথে সাথে যে যে জিনিস গুলো আমাদের সেগুলো আফজাল করে এবোইড করতে হবে। আমাদের নিজেদেরকে প্রতিদিন সকালে পজেটিভ এফারমেশন দিতে হবে। যাতে আমাদের সাবকনসাস মাইন্ড এই পজেটিভ তৈরি হয়। আমাদের ভেতরে যত পরিমাণ বাড়তে থাকবে ততই নেগেটিভ ইমোশনগুলো জায়গা খালি করে বেরিয়ে যাবে।

রেগুলারলি নিজেকে আত্মবিশ্বাস পূর্ণ রাখার জন্য বিভিন্ন সেলফ এর বই পড়তে পারি। অথবা অনুপ্রেরণা এর আর্টিকেল গুলো পড়তে পারি। এগুলো থেকে আমরা যেমন অনেক কিছু শিখতে পারব তার সাথে সাথে আমাদের মন থেকে নেগেটিভ ইমোশন গুলো বের করতে সাহায্য করবে।

এর সঙ্গে সঙ্গে নিজের মনের মধ্যে লুকিয়ে রাখা দুঃখের কথা নিজের মানুষের সাথে শেয়ার করে নেগেটিভিটি কিছুটা কমাতে পারি। মোটকথা যেভাবে প্রতিদিন আমরা বর্জ্য পদার্থ বের করে দিই। শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য। সেরকম যে রকমই হোক মনের বর্জ্য পদার্থ অর্থাৎ এই নেগেটিভ ইমোশনকে রেগুলারলি আমাদের বাইরে বের করে দিতে হবে। কারণ যত তাড়াতাড়ি আমরা নেগেটিভিটি কে দুর করতে পারবো। তত তাড়াতাড়ি পজিটিভিটিকে সাকসেস নিয়ে আসবে।

অবহেলা জীবন মধ্যে আমি কাউছার ছিলাম তোমাদের সাথে। যদি তোমার মধ্যে পজিটিভিটি জাগিয়ে থাকে তাহলে তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো তাদেরকে মডিফাইড থাকতে সাহায্য করো। কারণ পজিটিভিটি এমন একটা জিনিস যা শেয়ার করলে বাড়ে। এমন নতুন আর্টিকেল পড়তে প্রতিদিন আমাদের সাথেই থাকুন। ভালো থেকো দেখা হচ্ছে তাড়াতাড়ি এরকম নতুন আর্টিকেল নিয়ে। ধন্যবাদ:

obohelajibon/অবহেলা জীবন

Post a Comment

0 Comments