মুড/মন খারাপ হলে কি করবেন? অবহেলা জীন



মুড খারাপ হওয়ার কোন কারণ না থাকলেও অনেক সময় এমন কিছু হয়, যার কারণে আমাদের মন আমাদের কাজ থেকে সরে যায়। এবং অন্য দিকে চলে যায়। যার কারণে আমাদের মুড খারাপ হয়ে যায়। আপনার সাথে কখনো না কখনো এমনটা হয়ে থাকবে। আর অনেক সময় এমনো হয় যে, অটোমেটিক আমাদের মুড পরিবর্তন হয়। আর তখন আমারা বুঝতেই পারি না যে, মুড কে ঠিক করার জন্য কি করবো। এমন কি করবো যে, নিজেকে একটু শান্ত ও খুশি অনুভব করা যায়।

তাহলে সবার প্রথমে যে কারণে আপনার মুড খারাপ ঐ কারণ টি কে ভাবা বন্ধ করোন। আপনি এমন কিছু ভাবেনই না। যার কারণে আপনার মুড খারাপ হতে পারে। বা এমন কিছু ভাবেনই না যা ভাবলে আপনার মন খারাপ হতে পারে। এর পরিবর্তে আমি আপনাকে যা বলছি এটাকে মনে মনে বলোন। যে, এই মুড টি আমার জন্য নয়। আমি এটা ধরে রাখতে চায় না। এটা আমি নয়। আমি তো সবসময় খুশিতে ও শান্তিতে থাকি। আমার এই মুড আমার সমস্ত পজেটিভ এনার্জি কে নষ্ট করতে পারে না।

যার কারণে আমি খুশি ও শান্ত থাকি। আর আমি অনেক ভাগ্যবান। এবং আমি অনেক ভালো আছি। এই সব কথা যখন আপনি নিজেকে বলবেন বা চোখ বন্ধ করে শুনবেন, তখন আপনি ফিল করবেন। আপনার ভিতরে কিছু পরিবর্তন হচ্ছে, যা আপনার মুড কে ভালো করে তুলবে। আর আপনি বুঝতে পারবেন, আপনি কে আর আপনার জীবন কত সুন্দর।

এরপর আপনি এমন কিছু করুন যা আপনার ঐ মুডের থেকে আলাদা যেমন, কোন ব্যক্তি আপনার মুড কে খারাপ করেছে তাহলে তাকে ইগনোর করে সংগীত- ও সংগ শুনতে পারেন। বা অন্য কোন ব্যক্তির সাথে কথা বলতে পারেন। আপনাকে সেটা করতে হবে যা আপনার প্রিয় যা আপনার ভালো লাগে। আপনাকে সেটা বলতে হবে যা বললে আপনি খুশি অনুভব করেন। আপনাকে তাদের সাথে থাকতে হবে যাদের সঙ্গে থাকতে আপনার ভালো লাগে।

তাহলে এরপর আর আপনার মুড খারাপ হবে না। এরপর আপনি আপনার ব্রেইন কে পার্মিশন দেন ঐ সব নেগেটিভ চিন্তা গুলো বাহিরে বাহির করে দিতে। যার কারণে আপনার মুড খারাপ হয়ে যায়। কারন আমাদের মন ও ব্রেইন কেবল আমাদের বলা কথাকেই ফলো করে। অর্থাৎ আপনি আপনার ব্রেইন কে যা বলবেন আপনার ব্রেইন ঠিক সেটাই ভাববে। যদি আপনি আপনার ব্রেইন কে বলেন এটা ভাবতে, তাহলে আপনার ব্রেইন আপনাকে সেটা দেখাবে।

যা সেই বিষয়ে ব্রেইনের কাছে মেমোরি আছে। যেমন আমি এখন যদি আপনাকে বলি আপেল তাহলে আপনার ব্রেইন এ আপেলের ছবিই আসবে। তাই যেমনটা ব্রেইন কে বলবেন ঠিক তেমনি ব্রেইন কাজ করবে। আপনার যখন মুড খারাপ হয় সেখানে আপনারই কোন না কোন চিন্তার কারণে হয়ে থাকে। তাই আপনার ব্রেইন কে নিজের কন্ট্রোলে রাখতে হবে। এর জন্য আপনি হয় মেরিটেশন করুন অথবা এমন কোন জায়গায় যান যেখানে আপনি অনেক শান্তি অনুভব করবেন।

আপনি যত বেশি শান্তি ব্রেইন কে দিবেন ব্রেইনও আপনাকে ঠিক ততবেশিই শান্তি দেবে। না কখনো এটা ভাববেন যে, কি হয়েছিল, যার কারণে আপনি এত চিন্তায় আছেন? না এটা ভাববেন যে, কি হবে, যার কারণে আপনাকে চিন্তায় ফেলে দিবে। তাই কিছু চিন্তা না করে কেবল বর্তমানে বাঁচুন। সেটা করোন যা করে আপনে খুশি হবেন। এরপর নিজের ভিতর সবকিছু পরিষ্কার রাখুন।

যেমন আপনি কারো সঙ্গে থাকতে চান ওকে। আপনে কারো সঙ্গে থাকতে চান না সেটাও ওকে।
কেউ আপনার সাঙ্গে থাকতে চায় ওকে।

যা হয়ে গেছে তাকে যেতে দিন। অতীতের কথা ভাবা অর্থাৎ কি হয়েছে? কেন হয়েছিল? আমার সংগেই কেন হয়েছিল? এইসব কথা ভাবা বন্ধ করুন। বরং তার পিছনে সময় দিন যা করার পর আপনি শান্তি খুঁজে পাবেন।

আপনার স্বপ্ন পুরন করতে পারবেন। তাই মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে মোবাইল টা কিছুক্ষণ দুরে রেখে নিজের সাথে একটু সময় কাটিয়ে দেখুন আপনি সত্যিই অনেক শান্তি অনুভব করবেন। নিজেকে চিনতে পারবেন। বুঝতে পারবেন। আপনি কে? আশা করি আজকের এই লেখা থেকে আপনি অনেক কিছু শিখেছেন। লেখাটি ভালো লাগলে কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না।

obohelajibon/অবহেলা জীবন

Post a Comment

0 Comments