প্রিয় রসুলের ২৮টি অমূল্য বাণী / উক্তি (হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ)



১) যার সামনে আমার নাম উল্লেখ করা হবে, সে যেন আমার প্রতি সালাত(দরুদ) পড়ে, যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার সালাত(দরুদ) পড়বে, আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি দশবার রহমত দান করবেন। (মুসলিম ২:৭৯৫

২) চারটি কালিমা (বাক্য) আল্লাহর নিকট অতি প্রিয়ঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার" (মুসলিম ১২৩৭)

৩) যামযমের পানি যে নিয়তে পান করবে তার জন্য তাই হবে। (ইবনু মাজাহ ৩০৬২)

৪) যে ব্যক্তি "সুবহানাল্লাহিল 'আযিম ওয়া বিহামদিহী" বলল, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ লাগানো হবে। (তিরমিযী ৬:৩৪৬৪,

৫) যে ব্যক্তি প্রতারণা করে তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। (ইবনু মাজাহ ২২২৪)

৬) যে ব্যক্তি তা‘বীয ব্যবহার করবে আল্লাহ তাকে পূর্ণতা দিবেন না। আর যে কড়ি ব্যবহার করবে আল্লাহ তাকে মঙ্গল দান করবেন না (আহমাদ হা/১৬৭৬৩,

৭) এমন দুটি কালিমা, যা উচ্চারণে সহজ, মীযানে ভারী এবং দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয়ঃ "সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহাল্লাহিল 'আযিম"। (বুখারি ৬:৬৬৮২,

৮) যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে বিন্দুমাত্র শরীক করবে সে জাহান্নামে যাবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে বিন্দুমাত্র শরীক করবে না সে জান্নাতে যাবে’ (মুসলিম, মিশকাত, বাংলা মিশকাত ১ম খণ্ড হা/৩৪, ‘ঈমান’ অধ্যায় হা/৩৮)

৯) যে কোন গণক বা জ্যোতির্বিদদের নিকট আসল এবং তার বলা কথার প্রতি বিশ্বাস করল সে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর যা (কুরআন মাজীদ) অবতীর্ণ হয়েছে তাকে অস্বীকার করল (আহমাদ ২/৪২৯পৃঃ)।

১০) যে ব্যক্তি কোন মু'মিনের কোন পার্থিব কষ্ট দূর করল আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন তার থেকে কষ্ট দূর করবেন। (মুসলিম ৬:৬৭৪৬, আবু দাউদ ৫:৪৮১৩,

১১) আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুল ﷺ কখনো কোন খাবারের দোষত্রুটি প্রকাশ করেননি। (বুখারি ৯:৪৯০২,

১২) তোমাদের ততক্ষণ কেউ মু'মিন হতে পারবেনা , যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে তাই তার ভাইয়ের জন্য পছন্দ করে। (বুখারি ১:১৩,

১৩) মুসলিমের জন্য তার ভাইয়ের সাথে তিনদিনের অধিক সম্পর্ক বর্জন করা হালাল নয়। (বুখারি ৫:৬২৩৭

১৪) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি জেনে শুনে এক দিরহাম বা একটি মুদ্রা সুদ গ্রহণ করলে ছত্রিশবার যেনা করার চেয়ে কঠিন হবে’ (আহমাদ, হাদীছ ছহীহ, মিশকাত হা/২৮২৫; বাংলা মিশকাত হা/২৭০১)।

১৫) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুদ গ্রহণকারী, প্রদানকারী ও সূদের দু’সাক্ষীর প্রতি অভিশাপ করেছেন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, অভিশাপে তারা সবাই সমান (মুসলিম, মিশকাত হা/২৮০৭;

১৬) নিশ্চয়ই আল্লাহ চিরঞ্জীব ও সম্মানিত, ব্যক্তি যখন তাঁর দিকে উভয় হাত ওঠায় তিনি তা ব্যর্থ ও খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। (তিরমিযী ৬:৩৫৫৬,

১৭) যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলাক রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ ﷺ কে রাসুল হিসেবে সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে নিয়েছে সে ঈমানের স্বাদ পেয়েছে। (সহিহ মুসলিম)

১৮) মু'মিনের (অঙ্গের) উজ্জলতা ততদূর পৌঁছাবে যতদূর ওযুর পানি পৌঁছাবে (মুসলিম)

১৯) তিনটি গুণ যার মধ্যে আছে সে ঈমানের মধুরতা (স্বাদ) লাভ করেছে তার মধ্যে তিনটি হলো

১. আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসুল (সাঃ) তাঁর কাছে সকল কিছুর চেয়ে প্রিয় হওয়া।

২. কাউকে খালিস(একনিষ্ঠ) ভাবে শুধুমাত্র আল্লাহ তা'আলার জন্যই ভালবাসা

৩. কুফরিতে ফিরে যাওয়াকে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার মত অপছন্দ করা (বুখারি ৫:৬০৪১,

২০) তোমাদের ততক্ষণ কেউ মু'মিন হতে পারবেনা যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে তাই তার ভাইয়ের জন্য পছন্দ করে। (বুখারি ১:১৩,

২১) সর্বোত্তম কালাম হলো আল্লাহ তা'আলার কিতাব আর সর্বোত্তম আদর্শ হল্প মুহাম্মাদﷺ এর আদর্শ। আর সবচাইতে নিকৃষ্টতম বিষয় হলো (কুশিক্ষা) কুসংস্কার। তোমাদের কাছে যা ঘোষণা করা হচ্ছে তা বাস্তবায়িত হবেই। তোমরা (কেউই) তা ব্যর্থ করতে পারবেনা। (বুখারি ১০:৬৬৬৮

২২) তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কোন খারাপ(কাজ) দেখতে পায় সে যেন তা হাত দ্বারা বাঁধা দেয় যদি তা না পারে তবে তা যবান(মুখ) দ্বারা প্রতিবাদ করবে এবং যদি তা না পারে তবে তো অন্তর দ্বারা ঘৃণা করবে। আর এটি হবে সবচেয়ে দুর্বল ঈমান। (মুসলিম)

২৩) যার আমানতদারিতা নেই তার ঈমান নেই এবং যার ওয়াদা ঠিক নেই তার দ্বীন নেই। (সহিহ ইবনে হিব্বানঃ ১/৪২২ হাদিস নং- ১৯৪)

২৪) রাসুলﷺ বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে বনী আদম! তুমি যদি আমার সাথে শিরক না করে দুনিয়া পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার সাথে সাক্ষাত কর, তবে আমি দুনিয়া ভর্তি ক্ষমা নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাত করব। (সহিহ ইবনে হিব্বানঃ ১/৪৬২ হাদিস নং- ২২৬)

২৫) যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার বলেঃ "বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়া দুররু মা'আসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদ্বি ওয়া লা ফিচ্ছামা ই ওয়া হুয়াচ্ছামি'উল 'আলীম" - তবে তাকে  কোন কিছুই ক্ষতি করতে পারবেনা। (ইবনু মাজাহ

২৬) আল্লাহ তা'আলা আরাফার দিন অপেক্ষা এমন কোন দিন নেই যাতে এত অধিক সংখ্যক বান্দাকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দিয়ে থাকেন। (মুসলিম)

২৭) এমন দুই ধরণের চোখ যাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবেনাঃ এমন চোখ যে আল্লাহ তা'আলার ভয়ে কাঁদে । দ্বিতীয় চোখ যে আল্লাহ তা'আলার পথে পাহারারত থাকে। (তিরমিযী ৪:১৬৩৯

২৮) যে ঘরে কুকুর ও ছবি থাকে সে ঘরে (রহমত ও বরকতের) ফেরেশতা প্রবেশ করে না’ মিশকাত হা/৪৪৮৯

obohelajibon/অবহেলা জীবন

লেখা: সংগৃহীত 

Tags: উক্তি ও বাণী (হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ)

Post a Comment

1 Comments