টপার স্টুডেন্ট রা কিভাবে সব সময় টপার থাকে? Successful Motivation


image Google

টপার স্টুডেন্ট রা কিভাবে সব সময় টপার থাকে? এই ৫টি অভ্যাস তারা মেনে চলে!

বন্ধুরা আজকে আমি তোমাদের টপার স্টুডেন্টদের পাঁচটি এমন অভ্যাসের কথা বলব। যা তাদেরকে টপার হতে এবং সেই জায়গা ধরে রাখতে সাহায্য করে। আর এই অভ্যাস গুলো তুমিও যদি নিজের মধ্যে ডেভেলপ করতে পারো, তাহলে এগুলো এবছরের শেষে তোমাকে একজন টপার হতে সাহায্য করবে। তো চলো শুরু করা যাক।

অভ্যাস  নাম্বার ওয়ান: প্লানিং, টপার স্টুডেন্টরা বছরে প্রথম থেকে মাসিক, সাপ্তাহিক এবং প্রতিদিন কিভাবে পড়বে তার প্লানিং করে নেয় এবং টাইম টু টাইম প্রয়োজন মতো সেই প্লানিং চেঞ্জ ও করে। কিন্তু বিনা প্ল্যান এ যেভাবে চলছে চলুক এরকম মানসিকতা তারারাখে না। কারণ তারা জানে যে প্রপার প্ল্যানিং তাদের অনেক সময় কে বাঁচিয়ে দেবে এবং তারা বেশি পরিমাণে পড়তে পারবে। তাই তোমরাও মাসিক,  সাপ্তাহিক  এবং প্রতিদিন  কি কি সাবজেক্ট পড়বে এবং কতটা সিলেবাস কমপ্লিট করবে, তা  খাতায় লিখে এখন থেকে নিয়মিত প্লানিং  করতে শুরু করো এবং প্রয়োজন মত সেটা আপডেট ও করতে থাকো। 

অভ্যাস নাম্বার টু: টপার স্টুডেন্টরা মুখস্ত করার থেকে পড়াকে বুঝে নেওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেয়। যেকোনো পড়া না বুঝে মুখস্থ করলে তা আমাদের বেশিক্ষন মনে থাকে না। আর বছরের প্রথমে বা মিডিলে পড়া সব পড়াই, আমরা বছরের শেষে পরিক্ষা এর সময় ভুলে যাই এবং তা আবার মুখস্থ  করতে হয়। সেই জায়গায় আমরা যদি সেই পড়া কে একটু সময় নিয়ে বোঝে নি।  তাহলে বছরের শেষে খুব সহজেই একবার পড়ে টোটাল পড়াটাকে রিভাইস করে নিতে পারি। তাই টপাররা মুখস্ত করার থেকে বুঝে নেওয়া কে বেশি গুরুত্ব দেয়।

অভ্যাস নাম্বার তিন: তারা প্রশ্ন করে।এটা টপার দের সবচেয়ে ভালো অভ্যাসের  এর মধ্যে একটা। তারা নিজের মনে কোন পড়া নিয়ে ডাউট সৃস্টি হলে তার টিচার কে জিজ্ঞেস করে এবং তার সাথে আলোচনা করে ক্লিয়ার  করে নেয়। যে ডাউট  গুলো আমরা অনেকেই অলসতা এর জন্য অথবা সবাই এতো প্রশ্ন  করলে কি ভাববে। সেটা চিন্তা করে ক্লিয়ার  করি না। আর সেই পড়াটা বা সেপ্টার আমাদের না বোঝা অবস্থাতেই থেকে যায়। টপার রা কিন্তু কখনোই এই ভুল করে না। তারা মনে ডাউট আসলেই তা জিজ্ঞেস করে ক্লিয়ার করে নেয়। আর এই অভ্যাস তাদেরকে টপার  হওয়ার দিকে অনেকটা এগিয়ে দেয়।

অভ্যাস নাম্বার চার: টপার স্টুডেন্ট রা জানে শরীর যদি ঠিক না থাকে, তাহলে পরে মনযোগ ঠিক মতো হবে না। তাই তারা নিজের স্বাস্থ কে প্রথমে গুরুত্ব দেয়। প্রতিদিন অল্প হলেও ব্যায়াম  করে,মেডিটেশন  করে  সঠিক স্বাস্থবিধি মেনে চলে ইত্যাদি। তুমি খেয়াল করবে তোমার শরীর ঠিক না থাকলে, তোমার লেজিনেস বেড়ে যায়। কোনকিছুতেই মন বসে না, পড়তেও ইচ্ছে করে না, তাই নিজের শরীরে যত্ন সবার আগে নাও৷

অভ্যাস নাম্বার পাঁচ: টপার রা প্রতি পনেরো দিন বা এক মাসে একবার অন্তত নিজেদের প্রিপারেশন ঠিকঠাক চলছে কিনা তা পরিক্ষা করে নেয়। হয় তারা যে কোচিন ইনস্টিটিউটে পরে সেখানে ছোট ছোট পরিক্ষা দেয় অথবা নিজেই প্রশ্ন নিজেই তৈরি করে। নিজের পরিক্ষা নিজে নেয়। আর এই অভ্যাস তাদের পরিক্ষা এর সময় লেখার স্পিড কেও বাড়াতে সাহায্য করে। তোমরা কমেন্ট করে যানাও তোমার মধ্যে এই কয়টি অভ্যাস আছে?

©obohelajibon-blog/অবহেলা জীবন

Post a Comment

0 Comments