কিভাবে আপনি বাঁচতে চান? সিংহের মতো গর্জে উঠুন! Bangla Motivational


ছবি গুগল

কিভাবে আপনি বাঁচতে চান? সিংহের মতো গর্জে উঠুন!

কষ্ট ব্যথা এর দুটো দিক। একটা দিক যেখানে থাকে জীবনে কিছু করতে না পারার বেদনা। অলস এর মত বসে থেকে সামনে দিয়ে সমস্ত সুযোগ কে পাশ কাটিয়ে, অন্য কারো কাছে চলে যেতে দেখার আফসোস। আর সারাজীবন কমফোর্ট জোন এর ভেতরে থেকে কাজ করে যাওয়ার পরে। জীবনের শেষে স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার অনুতাপ। আর অন্য একটা দিক, যেখানে তাকে নিজের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা। বার বার মুখ থুবড়ে পড়ার পরে, আবার উঠে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মত সাহস।

আর নিজের পেশান, নিজের স্বপ্নকে যেকোনো মূল্যে এই জীবনে পূর্ণ করার তাগিদ। বাঁচতে হবে তোমাকে। তুমি কোনদিকে কষ্টটা সহ্য করতে চাও? প্রথম দিকটা চয়েজ করলে। বর্তমানে হয়তো তুমি আরামে থাকবে কিন্তু সে আরাম খুব বেশি দিনের হবে না। কিন্তু যদি তুমি অন্যদিকটা চয়েজ করো, তাহলে এই মুহূর্তে তোমাকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হবে। অনেক ব্যর্থতা মাথা পেতে নিতে হবে। জীবন তোমার সামনে প্রতিদিন নতুন নতুন সমস্যা নিয়ে আসবে আর তোমার মেন্টাল পেন বাড়তে থাকবে।

কিন্তু বর্তমানে তুমি যদি এই কষ্ট গুলো করার সাহস রাখো। ভবিষ্যৎ টা হবে তোমার নামে। কিন্তু এই চরম মেন্টাল পেন সহ্য করার ক্ষমতা সবার থাকে না। এর জন্য তোমার নিজের মধ্যে কার ঘুমিয়ে থাকা সিংহ টাকে জাগিয়ে তুলতে হবে। আমাকে কেউ সাফর্ট  করছে না। আমার কঠিন সময় কেউ আমার পাশে থাকছে না। এসব কথা আজ থেকেই বলা বন্ধ করতে হবে। কারণ সিংহ সবসময় একা স্বীকার করতে যায়। আর সেই যে রাস্তা দিয়ে যায় ভয়ে সবাই সেই রাস্তা থেকে সাইড হয়ে দাঁড়ায়।

কিন্তু জঙ্গলের এই রাজার জীবনেও আসে খারাপ সময়। যখন শিকারি তীরের আঘাতে তার শরীর রক্তাক্ত হয়ে যায়। আর চোখের সামনে রাজাকে হেরে যেতে দেখে জঙ্গলের নেকড়ে শিয়াল রাও নিজেদের রাজা ভাবতে শুরু করে। কিন্তু তারা ভুলে যায় শিকারীর  আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে গেলেও। জঙ্গলের রাজা সবসময় একজনই থাকে সিংহ। কারণ আঘাত যতই লাগুক ব্যথা যতই হোক, সিংহ কখনো মানতে রাজি হয় না যে সে হেরে গেছে। তার মনে থাকে আগুন আর চোখে থাকে আত্মবিশ্বাস।

সে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে কিন্তু পড়ে যায়। চারপাশে অন্য পশুরা তাই দেখে তাকে আঘাত করতে আসে। এবার এসে নিজের সমস্ত শক্তিকে একত্রিত করে উঠে দাঁড়ায়। নিজের গুহা থেকে বেরিয়ে সমস্ত বাধার সামনে এসে দাঁড়ায়। সে এত জোরে এবারে গর্জন করে যে পুরো জঙ্গল কেঁপে  যায়। যে নেকড়ে শিয়াল যারা নিজেদের রাজা ভাবতে শুরু করেছিল। তারাই এবার এক পা এক পা করে পেঁছতে  শুরু করে। আর জঙ্গলের রাজা নিজের পুরনো রূপে ফিরে আসতে থাকে আর এক পা এক পা করে সামনে এগোতে থাকে।

আস্তে আস্তে গতি বাড়তে থাকে সে দৌড়াতে শুরু করে শিকারের দিকে এবং একসময় ভয়ানক গর্জন এর সাথে শিকারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।ঠিক এরকমই যখন তোমার উপরে ও আসবে একের পর এক আঘাত স্ঠাগর্ল , ফেইলর, ইনসাল্ট যখন তোমাকে ঘিরে ধরবে। চারপাশে সবাই যখন তোমার মনোবল ভেঙে দিতে চাইবে। অলসতা যখন তোমাকে কমফোর্ট জোন থেকে বেরোতে দেবে না। তখন তুমি ও নিজের ভেতরে সেই আঘাত খাওয়া সিংহ টাকে জাগিয়ে তোলো।

নিজের সব মানসিক শক্তিকে এক জায়গায় একত্রিত করে উঠে দাঁড়াও। নিজের কমফোর্ট জোন এর গুহা থেকে বেরিয়ে এসো। নিজের একশন  দিয়ে এত জোরে গর্জন করো যেন সব বাধা সব বিপত্তি এবার তোমাকে দেখে পিছনে হাটতে শুরু করে। তুমি হলে সিংহ, তুমি হলে রাজা, তুমি এই পৃথিবীতে এসেছো ইতিহাস তৈরি করতে। জীবনের শেষে পৌঁছে বাড়ির বারান্দায় বসে অন্যের তৈরি করা ইতিহাস পড়তে নয়।

obohelajibon/অবহেলা জীবন

Post a Comment

0 Comments