সূরা মূলক পাঠ করার ফজিলত! জানলে অবাক হবেন? এতো বড় ফজিলত!


সূরা মূলক পাঠ করার ফজিলত! জানলে অবাক হবেন? এতো বড় ফজিলত!

একটা সিচুয়েশন কল্পনা করা যাক:
আমরা মারা গিয়েছি। কবরে আমাদের লাশ নামানো হয়েছে। একে একে সবাই এভাবে শেষ মানুষটিও চলে যাবার পর কবরের আযাব হতে যাচ্ছে। আমরা অসহায়, বাঁচাবার কেউ নাই, সাহায্য করার কেউ নেই।

আমাদের পক্ষে বলার কেউ নাই, এমতবস্থায় কার সাধ্য আছে আল্লাহর কাছে আমাদের পক্ষ থেকে সুপারিশ করবে আমাদের গুনাহ মাফ করে দেবার জন্য ? এমন সময় যদি কোথাও থেকে একটা সুপারিশ ভেসে আসে। হে আল্লাহ ! এই ব্যক্তি আমার পাঠকারী।

তুমি একে ক্ষমা করে দাও। কারন তুমি আমার মধ্যে এই মর্যাদা দিয়েছ ! তুমি আমাকে এই ক্ষমতা দিয়েছ আমার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করতে।
এবং সেই সুপারিশকারী আমাদেরকে মাফ করানোর ব্যাপারে আল্লাহর কাছে নাছোড় থাকবে। সেই মুহুর্ত কত আনন্দের হবে?

এমন এক সাহায্যকারী আমরা পেতেই পারি সেই মুহুর্তে যদি আমরা রোজ সামান্য কিছু সময় - দশ মিনিট ব্যয় করি। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

কোরআনের তিরিশ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা এমন আছে। যা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষ অব্ধি তাকে ক্ষমা না করিয়ে ছাড়বেনা, সেটা হচ্ছে

(তাবা-রাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মূলক) (সূরা মূলক)। [আবূ দাউদ : হাদিস নং ১৪০০]

রাসূল (সা:) বলেছেন, সূরা মুলক তার পাঠকারীর জন্য কিয়ামতের দিন ততক্ষণ পর্যন্ত শাফায়াত করতে থাকবে যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করা হবে। [ তিরমিযী]
রাসূল (সা:) সূরা মুলক পাঠ না করে কখনও ঘুমাতেন না। [তিরমিযী : হাদিস নং ২৮৯৭]

ইবনে আব্বাস (রা) বলেছেন:
তোমরা সুরা মুলক শিখ এবং নিজেদের স্ত্রী-পুত্রদের শিখাও। এটা কবরের আযাব হতে রক্ষা করবে এবং কিয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে এই সূরা পাঠকারীর পক্ষে কথা বলে তাকে মুক্ত করবে। 

রাসূল(সা:) বলেছেন, আমি প্রত্যেক মুমিনের অন্তরে সূরা মুলক থাকা পছন্দ করি। -[ফতহুল বয়ান]

লেখা: সংগৃহীত

Tag: ইসলাম ও জীবন/Islamic o life
Tag: কোরআন ও হাদিস/quran o hadis

©obohelajibon-blog/অবহেলা Life 

Post a Comment

0 Comments