৩টি কষ্টের ভালোবাসার - ব্রেকআপ গল্প। অবহেলিত জীবন


breakup sad status In bengali, breakup bangla status pic, breakup, status bangla download, breakup status বাংলা, ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা, breakup sad status bangla, friendship breakup status bangla, love breakup status bangla, relation breakup status bangla, breakup status bangla, bangla breakup status, breakup status in bangla, breakup bangla sms, breakup post bangla, bangladesh breakup sms, fb breakup status bangla,, ব্রেকআপ হওয়ার গল্প, ব্রেকআপ ফটো, ব্রেকআপের পিক, ব্রেকআপ মানে কি ব্রেকআপের পর প্রেমিকাকে ফিরে পাওয়ার উপায়, ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা, breakup a photo, breakup a day, breakup a poem, a breakup text, breakup quotes ব্রেকআপ উক্তি, ব্রেকআপ এর পর কি করা উচিত, breakup করার উপায়, ব্রেকআপের কষ্ট ভুলার উপায়, ব্রেকআপের কষ্ট ব্রেকআপের কথা, ব্রেকআপ প্রেমের গল্প ব্রেকআপ ভালোবাসার গল্প, ব্রেকআপ হয়ে গেছে, আমি ব্রেকআপ চাই, ব্রেকআপ হওয়ার ছন্দ, breakup the post, ব্রেকআপ এস এম এস, ব্রেকআপ তো করবে না

১: এ কেমন ভালোবাসা - ব্রেকআপ - পর অন্য একটি রিলেশনশিপ - অনেক কষ্টকর টিকে থাকা


খুব ছোট করে লিখার চেষ্টা করবো অতিরিক্ত ডিপ্রেশন থেকে লিখছি ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

সবার মতই আমার রিলেশন ছিল ৩/৪বছর হবে ১মাস হয়ে গেছে তার সাথে কোন যোগাযোগ নেই আর চেষ্টাও করি না যোগাযোগের কষ্ট যতই হয়তেছে তবুও করিনি। যাই হোক ব্রেকআপ হওয়াতে যতটা না কষ্ট পাইছি তার থেকে বেশি কষ্ট পাইছি আমার বিশ্বাসটা ভাংগার জন্য। মিথ্যাগুলো এত সুন্দুর করে গুছিয়ে বলতো মনেই হয়নি এইগুলা মিথ্যা হতে পারে। আর আমি ওরে একটু অন্যরকম ভালবাসতাম কোনদিন রাগ করে বকা দেই নি বাজে কোন কথা বলিনি সম্মান করতাম অনেক।

৪/৫মাস আগে থেকে কথা কম হত মেচেজ দিলে রিপ্লে করতো না তেমন মানে ইগনোর। হঠাৎ দেখি fb আইডি নেই । জিজ্ঞেস করাতে বললো আইডি ডিএক্টিব আমিও ভাবলাম হয়ত করছে এমনেই। ১৫/২০দিন পর এই আইডি দিয়ে দেখি ওমা আইডি এক্টিব আমি ব্লকে কিছুই বললাম না ওর প্রফাইল লক কিছু দেখতে পারছি না। কিছুদিন পর বললাম ব্লক করছো কেন বলে প্রবলেম বাসায়।

পরে জানতে পারলাম এক ছেলের সাথে রিলেশন তারে নিয়ে পোষ্ট ও করে এলাকার ছোট ভাইয়ের আইডি থেকে দেখছি ওর ফ্রেন্ড লিষ্টে ছিল দেখার পরের অবস্থা নাই বলি তেমন কিছুই বলিনি বলছি আমাকে হত তুমি অন্য রিলেশন করতে চাও কষ্ট হলেও কম হত ব্যাস আর কিছুই না।

আমার কতটা কষ্ট হয়তেছে জিবনটা কেমন জানি হয়ে গেছি তবুও ভাল থাকার ট্রাই করি। ওর কথা মনে করতে চাই না আমি কিন্তু মনে একাই আসে আর আমার কষ্টটা বেশি হয় যখন রাত নামে রাত আসলেই ভয় হয় এখন। মানুষ সুইসাইড করে কি জন্য সেটা উপলব্ধি করতে পারতেছি আমি কি করবো এখন রাতগুলো ২৪ ঘন্টার মনে হয় আমার কাছে। তারে কি বলবো সুখি হোক অনেক আল্লাহপাক ভাল রাখুক তাকে।


২: আমি শুধু এখন বাচতে চাই - ভালোবাসা হারানো কত কষ্ট - গল্প - ব্রেকআপ


breakup sad status In bengali, breakup bangla status pic, breakup, status bangla download, breakup status বাংলা, ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা, breakup sad status bangla, friendship breakup status bangla, love breakup status bangla, relation breakup status bangla, breakup status bangla, bangla breakup status, breakup status in bangla, breakup bangla sms, breakup post bangla, bangladesh breakup sms, fb breakup status bangla,, ব্রেকআপ হওয়ার গল্প, ব্রেকআপ ফটো, ব্রেকআপের পিক, ব্রেকআপ মানে কি ব্রেকআপের পর প্রেমিকাকে ফিরে পাওয়ার উপায়, ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা, breakup a photo, breakup a day, breakup a poem, a breakup text, breakup quotes ব্রেকআপ উক্তি, ব্রেকআপ এর পর কি করা উচিত, breakup করার উপায়, ব্রেকআপের কষ্ট ভুলার উপায়, ব্রেকআপের কষ্ট ব্রেকআপের কথা, ব্রেকআপ প্রেমের গল্প ব্রেকআপ ভালোবাসার গল্প, ব্রেকআপ হয়ে গেছে, আমি ব্রেকআপ চাই, ব্রেকআপ হওয়ার ছন্দ, breakup the post, ব্রেকআপ এস এম এস, ব্রেকআপ তো করবে না

আমি শুধু এখন বাচতে চাই... শুধুই বাচতে.. বিলিফ টা এত টাই গভীর ছিলো যে কোন দিন ভাবার প্রয়োজন মনে করিনি যে তাকে হারাতে হবে।

আমি জন্মেছি মোটামোটি ধনী পরিবারেই.. বাবার বিজিনেস ছিলো চাচা দের সাথে জয়েন ফ্যমিলি ছিলো আমাদের..জীবনে গুরুত্ব বলতে শুধুই পড়া শুনা আর বন্ধুদের দিয়েছি.. কোন দিন ভাবিনি রিলেশনে যাবো কারন একটা হ্যাপি লাইফ ছিলো আমাদের প্রয়োজন ছিলোনা এর বাহিরে কিছুর.. ছুটর দিনে পার্টি ব্যাস লাইফ আর কিছুই চাইতাম না আমি।

মেয়েরা প্রপোজাল দিলেও সরাসরি না করে দিতাম কারন কি দরকার লাইফে তো কিছুর অভাব নেই।

খুব গুছানো একটা লাইফ ছিলো। সমস্যা টা হয় চার বছর আগে হঠাত ই বাবার বিজনেস এ প্রবলেম হয় রাজনৈতিক অধপতনে চাচাদের গাদ্দারি বাবার কিছু ভুল এক রাতে প্রিয় জন্ম ভুমি ঢাকাকে ছেড়ে দিতে হয় এক রাতে।

সেদিনের রাত টা এখন ও ভুলিনি এক এক জন এক এক দিকে চলে গিয়েছিলাম আমাদের বাড়ি ঘর সব সিল করে ব্যাংক। বাবাকে যেনো এক পাথর হতে দেখেছিলাম আমি... উনি খুব ভেংগে পরেছিলেন.. উনার এই হার যেনো উনি কোন ভাবেই মানতে পারছিলেন না..তবে আমি একটু ও ঘাবড়াইনি।

কারন আমার বিলিফ আর মনোবোল সব সময় ছিলো অটুট আমি সপ্ন দেখতাম আমি ফিরিয়ে আনবো সব যদিও তা প্রায় অসম্ভব বাট হারিনি আমি.. বাবাকে বলেছিলাম কেন কাদছেন আপনি আপনার ছেলেদের কাছে আপনি অপরাধী বা হেরে যাওয়া মানুষ নন আপনার উপর কোন অভিযোগ নেই

আমাদের উনি শুধু মুচকি হেসেছিলেন... এর পরই শুরু হয় আমাদের দুর্দিন.. সে কি কস্ট আমি বলে বুঝাতে পারবোনা.. অনেক কস্টে পড়া শুনা টা আমি সেষ করি.. কিন্তু ছোট ভাই দের ও তো ভবিষ্যত আছে সে ভেবে ডিসিশন নেই দেশের বাহিরে যাওয়ার..সৌদি চলে আসি.. শুরু হয় কস্টের আরেক ধাপ। বাড়ির টেনশন এদিকে কর্ম হীন এক জীবন সব মিলিয়ে কেমন যেনো নিষচুপ হয়ে গেছিলাম আমি।

আর ভাগ্যের পরিহাস সে সময় আসে আমার লাইফের আরেক টা খারাপ অধ্যায়.. আমার ভালোবাসা।

পরিচয় টা আগের ই প্রায় চিনতাম শুধু আমাদের এলাকার ব্যাস এটুকুই ফেবুতে এড হয় তার পোষ্ট গুলো খুব সুন্দর হতো আমি কমেন্ট করতাম ব্যাস এভাবেই শুরু আস্তে আস্তে কথায় কথায় সে নিজেই প্রপোস করে বসে আমায়.. আমি বড় ছেলে সে হিসাবে আমি খুব ভেবে চিনতে তাকে সময় নিতে বলি.. সে আনাকে এত বেশী কেয়ার করে যে আমার যত কস্ট ছিলো তা যেনো আর কিছু মনে হয়না সব ভুলে গেছি।

Qatar Airways WW

যেনো সেই আবার আগের লাইফে ফিরে গেছি আমি.. আমার পরিবারের অবস্থা সে জানতো সে সাহস দিতো.. আর বলতো তোমার জন্য আমি অপেক্ষা করবো তুমি একটু কিছু করেই আমার বাসায় প্রস্তাব দিও আমি মানিয়ে নিবো.. ( সে যে খুব ধনী পরিবারের ছিলো তা কিন্তু নয়.. হয়তো কোন এক সময় এমন ছিলো তাকেই আমার বাবা মেনে নিবেন না)

তাকে পেয়ে আমি আবার মনোবল ফিরে পাই আবার সপ্ন দেখতে শুরু করি সে এত বেশী আমায় কেয়ার করতো যা আমায় এখন প্রতিটা মুহুর্ত কাদায়।

আমি দিনে এক মিনিট সময় পেলে সে আমার জন্য অপেক্ষা করতো কোন দিন লাইনে আসতে দেরী হলে সে কান্নাই করে দিতো..। কাজ সেষ করে ক্লান্ত শরীর টা নিয়ে একটু ঘুমাবো সে তা দিতোনা বলতো কথা বলতে হবে নাইলে খাবেনা।

বাচ্চাদের মতই তার পাগলামি গুলোকে আমি ভালোবসে গেছি। আমার মনে আছে আমার ইনকাম খুব কম তাই বেশী ইনকাম এর রাস্তা ছিলো ৪৭/৪৮ ডিগ্রি রোদ্রে ভারি ব্যাগ মাথায় করে দুই কিলো দিয়ে আসা.. জন্মেছি ধনী বাবার ঘরে সে কাজ ই আর হয়.. শুধু তার কথা ভেবে যে তাকে ঘরে আনতে হলে নিজেকে কিছু করতে হবে মাথায় বোঝাটা নিয়ে বের হয়ে যাই গরমে নাক দিয়ে রক্ত গর গর করে কাপড়ে পড়েছে তাকিয়েও দেখিনি.. যখন সে একটু কেদে বলেছে ভালোবাসি অনেক সব ভুলে গিয়েছি।

সে মাঝে মাঝেই কেন যেনো আমাকে ছাড়তে চাইতো আমি খুব কস্ট করে রাখতাম হাল্কা ঝগড়া হতো সে ঝগড়া হলেই অন্য ছেলেদের সাথে রিলেশন করতে চাইতো খুব কস্ট করে রেখেছি তাকে কেননা এক প্রকার তার প্রতি আমি ডিপেন্ড হয়ে গেছিলাম কারন সে এমন এক সময় পাশে এসেছে সে ছাড়া আমি শুন্য।
গত রোজার ঈদে হঠাত ই সে ব্রেকাপ চায় ছোট ঝগড়ায়.. আমিও রেগে যাই কারন সে তার বন্ধু এমন কি তার ফ্রেন্ডের হাজবেন্ড কেও যেই দাম দিতো আমাকে তা দিতোনা.. যদিএ গরীব আমি তাও এক সময়ের৷ ইগো টা ছিলো তো।

মাত্র এক দিন থাকি কথা না বলে আমি যেন দাড়ানোর শক্তি টাও হারিয়ে ফেলছিলাম. কল দিয়ে হাতে পায়ে ধরে তাকে আবার ফিরাই সে বলে তার বাসা থেকে এক টা বিয়ে আসছে বড় লোক ছেলে সে চাইলেও বাসায় না করতে পারবেনা আবার এদিকে আমার কিছুই নেই কিন্তু কি করবো সে তখন আমার এক প্রকার লাইফ লাইন ই ছিলো পারছিলাম উঠে দাড়াতে শক্তি ই ছিলোনা শরীরে আমার..

এক পর্যায়ে ভয় দেখাই যে আমায় বিয়ে না করলে আমি কিছু একটা করে বসবো.. তার পর সে তার মায়ের সাথে কথা বলায় আমি খুব রিকোয়েস্ট করি ওর মা ঐ বিয়েটা ভাংগে ও বলে দুই মাসের মদ্ধ্যে কিছু করেন নাইলে আমি চলে যাবো.. আমি আমার নানার হাতে অয়ায়ে ধরে মায়ের অংশ টুকু নেই তা দিয়ে ঢাকার পাশে জমি কিনি তাকে বলি এবার আমার কিছু আছে। সেও বলে এবার তাহলে প্রস্তাব দাও আমি বাসায় জানাই তারা তার বাসায় যায় তার বাবা রাজি কিন্তু সেই না করে বসে তার নাকি আমায় দরকার নাই।

তার মা আরো রাজিনা তাদের ফ্যমিলির কর্তা আবার তার মামা আর আর তার মা.. বাবা লজ্জিত হয়ে ফিরে আসে বাবা বলে কোন এক সময় ছিলো তাদের আসতে হতো আমাদের বাসায় আজ আমরা গেছি তাও মানেন নাই.. কিন্তু আমার পাগলামী দেখে৷ বাবা নানা বার বার তাদের কাছে যায় কল করে তার একটাউ উত্তত সে আমায় চায়না...

কেনো এমন করলো জানিনা এত ভালবাসা ছিলো এত কিছু এত সপ্ন তার জন্য কিই না করলাম বাসায় সবাইকে অপমান ও করলাম কিন্তু সে সেষ মুহুর্তে এসে জানায় করবেনা বিয়ে কারন জিজ্ঞাসা করলে বলে আরো পড়বে বললাম আংটি পড়াই সে তাতেও রাজিনা আমারে সব আইডি থেকে ব্লক দেয় জীবন্ত লাশ হয়ে গেছি আমি এক প্রকারের তভুও আশা ছাড়িনি কোন না কোন দিন তো আসবে..

পরর হটাত শুনি আরেক টা ছেলের সাথে রিলেশন।

আমার ইগো আমার সপ্ন আমার সব কেমন জানি হয়ে গেছে আমি একটা পাগলের মত হয়ে গেছি কেন এমন করলো এই প্রশ্ন আমার কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে আমি বুঝতে পারছিনা আমি কি করবো মানুষিক একটা রুগী হয়ে গেছি আমি..।


৩: ভালোবাসার অপর নাম - ব্রেকআপ কষ্টের গল্প

breakup sad status In bengali, breakup bangla status pic, breakup, status bangla download, breakup status বাংলা, ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা, breakup sad status bangla, friendship breakup status bangla, love breakup status bangla, relation breakup status bangla, breakup status bangla, bangla breakup status, breakup status in bangla, breakup bangla sms, breakup post bangla, bangladesh breakup sms, fb breakup status bangla,, ব্রেকআপ হওয়ার গল্প, ব্রেকআপ ফটো, ব্রেকআপের পিক, ব্রেকআপ মানে কি ব্রেকআপের পর প্রেমিকাকে ফিরে পাওয়ার উপায়, ব্রেকআপ স্ট্যাটাস বাংলা, breakup a photo, breakup a day, breakup a poem, a breakup text, breakup quotes ব্রেকআপ উক্তি, ব্রেকআপ এর পর কি করা উচিত, breakup করার উপায়, ব্রেকআপের কষ্ট ভুলার উপায়, ব্রেকআপের কষ্ট ব্রেকআপের কথা, ব্রেকআপ প্রেমের গল্প ব্রেকআপ ভালোবাসার গল্প, ব্রেকআপ হয়ে গেছে, আমি ব্রেকআপ চাই, ব্রেকআপ হওয়ার ছন্দ, breakup the post, ব্রেকআপ এস এম এস, ব্রেকআপ তো করবে না

বহু সম্পর্কের ভাঙা-গড়া দেখেছি আমি। সম্পর্কের ভাঙার সবচেয়ে লেইম এবং বহুল প্রচলিত এক্সকিউজ হলো 'ফ্যামিলি'। এই এক্সকিউজের একটা সুবিধা হলো, ব্যাক করার ওয়ে থাকে। ধরুন, প্রেমিক/প্রেমিকার বিয়ের প্রপোজাল এল। সে দেখল, প্রপোজালটা বর্তমান প্রেমিক/প্রেমিকার চেয়ে বেটার। কিন্তু হুট করে কোনও কারণ ছাড়া ব্রেকআপ করা তো পসিবল না।

তাছাড়া বহুদিনের সম্পর্ক থাকলে সেখানে মায়া/নির্ভরশীলতা তৈরি হয়, যা হুট করে ত্যাগ করতেও ইচ্ছে হয় না। তাহলে বর্তমান প্রেমিক/প্রেমিকার সাথে সম্পর্ক শেষ না করেও কীভাবে অন্য ছেলে/মেয়েকে বিয়ে করার চেষ্টা করা যায়? আদি এবং মোক্ষম অস্ত্র হলো ফ্যামিলি ইস্যু। বেটার পাত্র/পাত্রীর সাথে বিয়ে হয়ে গেলে তো হলোই। মিশন একমপ্লিশড। কোনও কারণে বিয়ে ভেঙে গেলে...'বহু কষ্টে বিয়েটা ভেঙেছি তোমার জন্য' বলে ফিরে আসার রাস্তা খোলা থাকে। তাই, কেউ 'ফ্যামিলি ইস্যু' দেখালে আগেই ফ্যামিলিকে গালিগালাজ করবেন না।

খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা ঠিক কী আড়াল করার চেষ্টা করছে। খুব সম্প্রতিই আমার ঘনিষ্ঠ তিন বন্ধু-বান্ধবীর বিয়ে হলো। কুরবানি ঈদের আগে আগে একটা, ঈদের পর দুইটা। তিনটা সম্পর্কের ক্ষেত্রেই ফ্যামিলি ছিল বড় বাঁধা। এক বন্ধুর শ্বশুরকে তার বাপ পিটিয়েছিল রাজনৈতিক কারণে। কিন্তু ছেলে-মেয়ের ডেডিকেশনের জন্য শেষ পর্যন্ত ওরাই কোলাকুলি করে বিয়ে দিয়েছে। আরেক বন্ধুর ক্ষেত্রেও কাছাকাছি ইস্যু, পারিবারিক কোন্দল। বাংলা ছায়াছবির মতো।

এক ফ্যামিলি অন্য ফ্যামিলির ছায়াও মাড়ায় না। মোটামুটি এক জেনারেশন ধরে চলে আসা সেই কোন্দল সরিয়ে ছেলে-মেয়ের ভালোবাসাকে বিয়েতে পরিণতি দিয়েছে ওই বাবা-মা'রা-ই। খুব কাছ থেকে ওদের সেই সময়কার স্ট্রাগল দেখেছি। কত শক্ত করে একে অন্যের হাত ধরেছিল তারা! সমস্ত ঝড়-ঝাপটা সামাল দিয়েছে একসাথে। অথচ কারও সম্পর্কই বছর পাঁচের বেশি পুরাতন ছিল না। এক বন্ধুর রিলেশনের বয়স সবে দেড় বছর। অর্থাৎ সম্পর্কের স্থায়িত্বের চেয়ে গভীরতাই আসলে পরিণতির দিকে আগাতে সাহায্য করে বেশি।

আফসোস হয়েছে। কারণ দশটা বছর সময় নষ্ট করেছি আমি। জানুয়ারি মাসে যখন প্রথম প্রাক্তনের জন্য পাত্র আসে, তখনই তার মধ্যে কিছু পরিবর্তন দেখতে পেয়েছিলাম। কিন্তু ভালোবাসায় অন্ধ ছিলাম বলে লক্ষ্য করিনি তখন। সাধারণত মেয়েরা সাজুগুজু একটু বেশিই পছন্দ করে। তবে প্রাক্তন তুলনামূলক কম করত। পাত্র আসার পরপরই দেখলাম হিউজ কসমেটিক্স প্রোডাক্ট আনিয়েছে অনলাইনে। ফেব্রুয়ারির কথা। ওই মাসেই আমার জন্মদিন।
স্বাভাবিক ভাবেই, একই ক্যাম্পাসে পড়ি বলে, এক্সপেক্টেশন কিছুটা বেশি ছিল। কিন্তু খেয়াল করলাম, কেমন যেন গা ছাড়া ভাব ওর মধ্যে। কুরিয়ারের প্রোডাক্টে কী আছে জানতে চাইলাম। হাবিজাবি অনেক কিছুর কথা বলল। মনে নাই। তবে একটা জিনিস মনে আছে, লোম উঠানোর পিল টাইপ কিছু একটা হিউজ পরিমাণে এনেছিল সে। পরবর্তীতে জানতে পারি, হাত-পা-সহ শরীরের সমস্ত লোম উঠানোর জন্যই নিয়ে এসেছিল ওসব। অথচ অতীতে কখনও তা ব্যবহার করেনি সে।

ও চেয়েছিল স্বামীর চোখে সর্বোচ্চ আবেদনময়ী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে। অর্থাৎ মানসিক এবং শারীরিক ভাবে বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল আরকি। কিন্তু তখনও আমাকে প্রতিদিন আশ্বাস দিত, বিয়ে করবে না সে। নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ হলেও খুব বেশিক্ষণ সময় দিত না। এমনও দিন গিয়েছে যে, আমি দূর থেকে প্রাক্তনকে দেখেছি, কিন্তু আমাকে না দেখার ভান করে সরে গিয়েছে ও। সর্বশেষে ছেড়েছে সেই মোক্ষম অস্ত্র, 'ফ্যামিলি'।

তার মাঝেই, হুট করে যেন খুবই পরহেজগার হয়ে গেল সে। নিয়মিত নামাজ আগেও পড়ত। তবে এখন আমার সামনেও চেহারা দেখাতো না। পরে জানতে পেরেছি, পাত্রের পরিচিত কে যেন ক্যাম্পাসে ছিল, ওই কারণে মুখ ঢেকে বোরখা পরত। আবার, খুঁজে খুঁজে নিজের সব ছবি ফেসবুক থেকে ডিলেট করিয়েছে সে। গান গাওয়ার অভ্যাস ছিল।

ক্যাম্পাসের বড় দুইটা প্রোগ্রামে স্টেজে পারফর্ম করেছে। বন্ধু-বান্ধবদের আপলোড করা প্রোগ্রামের ছবি এবং ভিডিও ডিলেট করিয়েছে ও। কারণ হিসেবে বলেছে এই সমস্ত গুনাহের কাজ থেকে ফিরে আসতে চায়। পরে জানতে পেরেছি, পাত্রের চাওয়া ছিল পরহেজগার নারী। তাছাড়া, ওর ফেসবুক আইডি তিনটা। দুইটা আইডিতে ওর সাথে চ্যাটিং হত আমার। ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করে এক আইডির সমস্ত কনভার্সেশন ডিলেট করিয়েছে। ওর-আমার না হলেও এক সাথে হাজার পাঁচেক ছবি আছে।

ওই সমস্ত ছবিও ডিলেট করাতে চেয়েছিল। ছবি তোলা গুনাহ। ওই গুনাহের জন্য নাকি ফ্যামিলি আমাদের মেনে নিতে চাইছে না! মেসেঞ্জারের কথাবার্তা-সমস্ত ছবি ডিলেট করে আল্লাহর কাছে মাফ চাইলে হয়তো আমাদের দোয়া কবুল হবে! পরে জানতে পেরেছি, রিলেশনের সমস্ত প্রমাণ নষ্ট করতেই এই আবদার। নইলে বিসিএস ক্যাডার পাত্র হাতছাড়া হয়ে যাবে যে! দুই আইডির একটা ডিজেবল। অন্যটাও যেকোনো মুহূর্তে ডিজেবল হয়ে যাবে। তৃতীয় আইডি দিয়ে মূলত এখন ফেসবুক ইউজ করে সে।

ওইখানে ওর বাবার নাম জুড়ে আইডি খুলেছে। ওমুক বিনতে তমুক। ফেসবুক চালায় না শুনলে বিশ্বাস করবে না কেউ, তাই তৃতীয় ওই আইডি। ওইখানে রীতিমতো সুফি দরবেশ লেভেলের ভদ্রমহিলা সে। কুরআন-হাদীসের বাণী ছাড়া টাইমলাইনে অন্য কিছু নাই। চার-পাঁচ বছর ধরে তিনটা আইডি মেইনটেইন করে আসছিল প্রাক্তন। আরও মজার একটা ব্যাপার, এতক্ষণ যেই দ্বীনের পথে ফিরে আসা আপুটির কথা বললাম, সে আমার সাথে সম্পর্ক শেষ করার জন্য বলেছিল, 'প্রেম হারাম' কিন্তু আমাকে স্বামী হিসেবে দেখতে চায় ও।

তাই যোগাযোগ বন্ধ থাকবে। তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, ফুপা বিদেশ থাকতেন। ওখান থেকে হিউজ পরিমাণ টাকা-পয়সা কামাই করে এনেছেন। সেখান থেকে ব্যাংকে কিছু টাকা জমিয়ে রেখেছেন। এবং সেই জমা টাকার সুদ/মুনাফা থেকে ওর ফ্যামিলি চলে। এমনকী প্রাক্তনের লেখাপড়ার খরচটাও চলত। যখন সে নিজের দুরবস্থার (বিয়ে না হওয়া) জন্য আমাকে অর্থাৎ হারাম প্রেমের সম্পর্ককে দায়ি করল, তখন আমি ওই সুদের কথাটাও মনে করিয়ে দিয়েছিলাম।

হয়তো প্রেম নয় হারাম সুদ দায়ি ওই দুরবস্থার জন্য। ফলশ্রুতিতে যেই অপমান হয়েছিলাম...সেদিন বুঝতে পেরেছি, ধর্মকে অস্ত্র হিসেবে আমার বিপক্ষে ব্যবহার করে আসছিল মেয়েটা এতদিন। আদতে ধার্মিক বা ধর্মপরায়ণ হওয়ার কোনও ইচ্ছেই নেই ওর। বরং বিসিএস ক্যাডারের সংসার করার প্রবল ইচ্ছে আছে।

কাজিন হওয়ায় অবশ্য ওর সমস্ত জারিজুরি অল্পদিনেই ফাঁস হয়ে গেছে আমার কাছে। ফ্যামিলি থেকে প্রপোজাল দেওয়ার পরে জানতে পেরেছিলাম, ও নিজে থেকেই আমাকে বিয়ে করবে না বলে তার মা'কে জানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ভিক্টিম কার্ড প্লে করে নিজের মা-বাবাকে আমার সামনে শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করেছিল নিজে সেফ থাকতে। ইভেন ওর বাবা মানে আমার ফুপার সাথে সরাসরি কথা বলতে চাওয়ায় হুমকি দিয়েছিল, আমার ফুপ্পি মানে তার মা'র তালাক করিয়ে দেবে।
সেইটার জন্য নাকি আমি দায়ি থাকব! ভাতিজা হয়ে ফুপ্পির বিয়ে ভেঙে দেওয়া তো আর যায় না। কিন্তু মেয়ে হয়ে নিজের মায়ের সংসার ভেঙে দেওয়ার হুমকি আমাকে দিয়েছে সে। ইভেন, ভিক্টিম কার্ড প্লে করে আমারই এক বান্ধবীর কাছে আমাকে ছোট করেছে ও। কারণ আমি ডিএক্সে পোস্ট করেছিলাম। নিজের এক বান্ধবীর সাথে তো অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ পর্যন্ত করেছে প্রাক্তন। অথচ ওর এত সব কর্মকাণ্ড যে আমার কাছে ফাঁস হয়ে গিয়েছে, তা কখনওই প্রকাশ করিনি।

ফেসবুকে ওর শেষ মেসেজ ছিল, "আমারো জানা হয়ে গেছে যে ছেলে মুখে বলে ভালোবাসি কিন্তু পাবলিকলি পোস্ট দিয়ে আজেবাজে কথা বলে সেই ছেলেরে চেনা হয়ে গেছে"। জুনের পনেরো তারিখের মেসেজ, ডিএক্সে পোস্টের ঠিক দুই দিন পর। অথচ ঠিক ওই সময়, পাত্রের সাথে ওর যোগাযোগ হত, কথাবার্তা হত ফোনে। যার প্রমাণ তখনই পেয়েছিলাম। আমি সবকিছু জেনে গিয়েছি সেইটা আমার অপরাধ।

যেহেতু নিজ পরিবারের ভেতরকার ঘটনা, বিয়ের প্রপোজাল পর্যন্ত গিয়েছিল ব্যাপারটা, সেহেতু চাইলেও নিজ আত্মীয়-স্বজন বা কাজিনদের কাছে এই কথাগুলো লুকানো সম্ভব না। কোনও না কোনও ভাবে কানে আসবেই আমার। সেসব কথা জেনে চুপ করে বসে না থেকে গ্রুপে পোস্ট করা আমার অপরাধ। অথচ সে যে সমস্ত কাজগুলো করেছে সেসব কোনও অপরাধ না। ইভেন আমি সুইসাইড করে পড়ে থাকলেও ব্যাপারটা অপরাধ হত না।

যতটা অপরাধ পাবলিকলি পোস্ট দিয়া 'আজেবাজে' কথা বলাতে হচ্ছে এখন। ডিএক্সের পোস্টগুলো করার সময় কখনওই প্রাক্তনকে ব্লকলিস্টে রাখি না। যাতে কথাগুলো একতরফা না হয়। কোনও ভুল কথা বললে ডিফেন্ড করতে পারে সে। কিন্তু না, এখন পর্যন্ত ভিক্টিম কার্ড প্লে করা ছাড়া অন্য কিছু পাইনি ওর কাছ থেকে। বিয়ে ভাঙার পরও সে নিজেকে ভিক্টিম হিসেবেই উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছিল আমার কাছে।

কিন্তু কেন এখানে পোস্ট করা? কারণ নিজের ভেতর কষ্ট আঁকড়ে রেখে বেঁচে থাকাটা আরও কঠিন করতে চাই না আমি। প্রাক্তনকে অসম্মানিত করার ইচ্ছে থাকলে বহু রাস্তা খোলা আছে। ওর বাড়ি আর আমার বাড়ি পাশাপাশি। চাইলে...বোকার মতো আমিও ওকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করেছিলাম। বদলে সে রীতিমতো আমারই চাচা অর্থাৎ ওর মামা'র মাধ্যমে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ছক সাজিয়ে ফেলেছিল।

দশটা বছর একসাথে কাটিয়েও মানুষটিকে চিনতে পারিনি আমি। অথচ মানুষ কীভাবে এক/দুই দেখাতে সম্পূর্ণ অপরিচিত একটা ছেলে/মেয়েকে বিয়ে করে ফেলে সেইটা কখনওই বোধগম্য হয় না আমার। ইদানীং যেই সমস্যা হয়েছে, কাউকেই বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না। খুবই পরিচিত মানুষ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে আড়ালে-আবডালে এতকিছু করতে পারলে, অন্যান্য পরিচিত মানুষরা কী কী করছে অথবা কী করতে পারে- সেটাই ভাবি। আত্মীয়-স্বজন যাদের সাথে এতদিন সুসম্পর্ক ছিল, সবাইকে কেন যেন সন্দেহের চোখে দেখি। ব্যাপারটা ভুল।

কিন্তু ফিরে আসারা রাস্তা জানা নেই আমার। তবে বিয়ের পর চলে যাওয়ার চেয়ে প্রাক্তন এখনই চলে গিয়েছে সেটাই ভালো হলো। নয়তো মানসিক/সামাজিক ভাবে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতাম আমি। এমনিতেও যতটুকু ক্ষতি হয়েছে তা পোষাতে লাইফটাইম লেগে যাবে অবশ্য। তবুও, এগারোটা ক্ষতির চেয়ে দশটা ক্ষতি অবশ্যই বেটার। তাই না?

Post a Comment

1 Comments

Creator Sudip said…
Sir,
Join here.
Love Story , sad story , romantic story etc all here.

SMsudipBD.Com

SMsudipBD.Com

SMsudipBD.Com

We are Waiting .......