বিচ্ছেদের ১০ টি ভালোবাসা ব্রেকআপ হওয়ার কষ্টের জীবনের শেষ কিছু কথা, love sad picture, love sad pic bangla, love sad picture bangla, love sad pic hd, love sad picture hd, love sad pic girl, love sad pic hd download, love you sad pic, love sad images bangla, sad love pictures to draw, love sad pic boy, love sad pic boy and girl, one side love sad pic, sad love pic 4k, shayari for love sad pic, ব্রেকআপ প্রেমের গল্প, ব্রেকাপ গল্প, ব্রেকআপ ভালোবাসার গল্প, প্রেমের গল্প ব্লগ, ব্রেকআপের কষ্টের গল্প, ব্রেকআপের কষ্ট ভুলার উপায়, ব্রেকআপের কষ্ট, ব্রেকআপ নিয়ে কিছু কথা, ব্রেকআপ এর ছবি, ব্রেকআপ এস এম এস, ব্রেকআপ মেসেজ, ব্রেকআপ sms, ভালোবাসার কষ্টের স্ট্যাটাস, ভালোবাসার কষ্টের কথা, ভালোবাসার কষ্টের, ভালোবাসার কষ্টের মেসেজ, ভালোবাসার কষ্ট ছন্দ, ভালোবাসার কষ্ট নিয়ে কিছু কথা, ভালোবাসার কষ্ট কথা, ভালোবাসার কষ্ট নিয়ে উক্তি, ভালোবাসার কষ্টের অনুভূতি, ভালোবাসার কষ্টের অভিনয়, ভালোবাসার অনেক কষ্টের গল্প, ভালোবাসার কষ্ট আমায় মুক্তি দিল না, ভালোবাসার কষ্ট আছে, ভালোবাসার কষ্ট ভোলার উপায়, কষ্ট ভালোবাসার রোমান্টিক উক্তি, ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী, ভালোবাসার কষ্টের গল্প পড়তে চাই, ভালোবাসার কষ্টের ছোট কবিতা, ভালোবাসার কষ্টের জীবন, ভালোবাসার কষ্টের ডাইলক, ভালোবেসে কষ্ট দিলে মনতো দিলেনা, ভালোবেসে কষ্ট দেওয়া
বিচ্ছেদের ১০ টি ভালোবাসা ব্রেকআপ হওয়ার কষ্টের জীবনের শেষ কিছু কথা।

১: আমার সাথে ব্রেকাপ এর পর এক্স অন্য মেয়েরে সাথে রিলেশন করছে,ঘুরছে,আরও কত কী।অথচ আমার সাথে রিলেশন থাকা অবস্থায় ও দেখা করার সময় পাইতো না।এখন কয়েকদিন থেকে শুরু করছে আমাকে ছাড়া থাকতে পারবে না, ওর আমাকে লাগবে আরও কত কী পরে আমি বলছি যে সব ছেড়ে আসতে পারলে আসো,নো প্রবলেম এখন ও ওই গার্লফ্রেন্ডরে আমার কথা বলে ব্রেকাপ করছে।তারপর আমার কাছে আসছে।

তারপর আমিও বলছি যে আমি জাস্ট ফান করছি,আমি তোর মতো হারামজাদা,বেটা বদমাইশের সাথে রিলেশন করবো না।আমি জাস্ট প্রতিশোধ এর জন্য বলছি যে রিলেশন করবো,এখন তুই কী করবি কর আমি জানি না।

এটা বলে রিনা খানের মতো একটা পৈশাচিক হাসি দিয়েছি,আহা শান্তি। ওদের সাথে এমনই করা উচিত এখন বেচারা দুকূল হারায়ছে।ভাবলে মন তিড়িং তিড়িং করে লাফিয়ে উঠে।



২: বেইমানটা এক মাস আগে মনোমালিন্যের এক পর্যায়ে ব্লক করে দেয়। ভেবেছিলাম ঠিক হয়ে যাবে সব। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছিলাম।এক মাস পর জানতে পারলাম বেইমান টা বিয়ে করেছে আর ওই ব্লক করার‌ দিনটা ছিল তার এঙ্গেঞ্জমেন্ট এর দিন।এখন বুঝতে পারছি কেনো এই মন কষাকষির ফাঁদ পেতেছিল।

পৃথিবীতে হয়তো বেইমানদের শাস্তি নেই। অনেকেই বলবে তুমি ভুল মানুষকে ভালোবেসেছো, হারাম সম্পর্কে ছিলে। কিন্তু যে ভুল বুঝিয়েছিল তার শাস্তি হবে না!হারাম সম্পর্কের শাস্তি একা আমি কেন পাব! আমি মহান নই ।তাই বলতে পারলাম না বেইমান তুই ভালো‌‌ থাক। শারীরিক,আর্থিক, পারিবারিক প্রবলেম জেনেও হাতটা ছাড়িনি।আজ খারাপ সময় পাড় করে আমাকেই ছেড়ে দিল।আমি চাই বেইমানটা ঠিক যেভাবে আমাকে ঠকিয়েছে সেভাবেই তার শাস্তি হউক।



৩: বহুদিন ধরে গার্লফ্রেন্ড এর সাথে সমস্যা হচ্ছে!

সম্পর্ক টা আমি বাচাতে চাচ্ছি আর ও চাইছে ব্রেকাপ করতে। প্রচন্ড ভালোবাসি তাই চাইনা কোনোভাবে ওকে হারাইতে।

বহুকস্টে কথা বলতে রাজি হইছে,, হয়ত এই কথাবলার পর সম্পর্ক টা বাচাতে পারবো নাহয় সব শেষ আমার।

পরামর্শ দেন কি বললে সে অন্তত ব্রেকআপ না করে আমাকে সময় দেবে বা নিজে সময় নেবে ভাবতে।

আমি কোনোভাবেই ওকে হারাতে চাইনা,,, যেকোনো ভাবে চাই ও আমার থাকুক

আপনারা পরামর্শ দিন কি বললে ওকে আটকে রাখতে পারবো,,,আমি সম্ভাব্য সব কিছু করেছি কিছুই হয়নি লাভ - ব্রেকআপ




৪: প্রিয় প্রাক্তন!
তুমি আমাকে যেদিন ছেড়ে গেলে, সেদিন থেকে আমি আর কখনও মন খুলে হাসিনি!

তুমি ভাবো,,,তুমি ছেড়ে চলে গিয়েছো বলেই,তোমাকে আর কখনও পাবো না বলেই আমার মন খারাপের যত কাহিনী? না! আমার মন খারাপ তো তখন হয় যখন মনে হয়, কেউ আমাকে ময়লার মত রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে!

আমি এতটাই তুচ্ছ কারো কাছে?আমার অনুভূতি,আমার ভালবাসা এতটাই নগন্য?এতদিনেও আমার প্রতি একটা মানুষের বিন্দুমাত্র মায়া জন্মায় নি?কি কপাল নিয়ে জন্মেছি আমি,, আমার প্রথম ভালবাসা প্রাপ্তি পেলো না,, একটা ভুল মানুষের দ্বারা ক্ষতবিক্ষত হলো!

কত বোকা আমি,মানুষ চিনতে কতটা ভুল করে ফেললাম,আর কখনও কাউকে যে এত ভালবাসা দিতে পারবো না,এতটা বিশ্বাস করতে পারবো না,,এসব ভাবলেই না আমার দুনিয়া অন্ধকার হয়ে যায়!

তুমি কোনো বিশেষ ব্যক্তি না,যাকে না পেলে আমি বাঁচবো না! এই দেখো দিব্যি বেঁচে আছি!

কিন্তু তুমি তো আমাকে একটা রুটিন করে দিয়েছিলে,,,যে রুটিনে ছিল সকাল-বিকাল খোঁজ-খবর নেওয়া,ভালবাসি বলা,রাগ-অভিমান কত কিছু! আমার তো এগুলো অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে,,মানুষ অভ্যাসের দাস না বলো? হুট করেই কি দীর্ঘদিনের অভ্যাস বদলানো যায়?

তুমি ছিলে আমার ডেইলি রুটিন, যে রুটিন হুট করে বদলে গিয়েছে,মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে,,এটাই!!! ভেবো না তোমাকে ছাড়া থাকতে কষ্ট হচ্ছে! তোমার দেওয়া অভ্যাসের ঘোর থেকে বেরিয়ে আসলেই তোমার দেওয়া এতসব যন্ত্রণা ও ঘুঁচে যাবে!



৫: সে একদিন বলেছিল কোন কারনে আমার যদি বিয়েও হয়ে জায়, আমার যদি অনেকগুলো বাচ্ছা ও থাকে আর আমি তার কাছে ফিরে আসতে চাই, তখনও সে আমাকে গ্রহণ করবে।

কিন্তু আজ?? ফ্যামিলির কারনে তার আর আমার মাঝে অনেক বড় ভুল বুঝাবুঝি... এতো বেশি দূরত্ব হয়ে গেছে যে সে আমাকে সব কিছুতেই ব্লক করে দিয়েছে :) আমি ভুল করে হাজার লক্ক বার তার কাছে ক্ষমা চেয়েছি...। কিন্তু তার মন গলে নি।।।

তবে কেন এমন কথা দিয়েছিলে??? যে কথা রাখতে পারো না? আজ তুমি আমাকে ছাড়াই দিব্বি হাসি খুশি আছো... কিন্তু একদিন আমার সাথে কথা না বললে পাগলের মত হয়ে যেতে...

তুমার সাথে রিলেশনের পর প্রথম ঈদে মেহেদি দিয়ে হাতে তোমার আর আমার নাম লিখেছিলাম, (M + S) , কিন্তু এ নাম আমার হাতে নয় হৃদয়ে লেখা হয়েছিলো... তোমাকে বুঝাতে বুঝাতে আমি এখন ক্লান্ত, চেষ্টা তো কম করি নি... তবে কেন বিয়ে করো না তুমি? তাহলে আমিও একটা সিদ্দান্ত নিতে পারি?? কেন এবাবে তিলে তিলে প্রতিদিন আমাকে মারছো? আমার কি বেঁচে থাকার অধিকার নেই??? ভুল করেছি আবার ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা ও চাচ্ছি আজ এতোটা দিন ধরে, তবে কেন আমাকে ক্ষমা করতে পারো না তুমি বল?

আইডি তে আমি আজও তোমার আমার এঙ্গেজমেন্ট এর পিকটা সরাই নি, কেন জানো? তোমাকে ভালবাসি বলে, তোমার প্রতিটা স্মৃতি নিয়ে আমি বাঁচতে চাই...। সেদিন আমার বিয়ে ঠিক হলেও আমি বিয়ে করি নি... কেন জানো??? কারণ তোমার জায়গা অন্য কাউকে দিতে পারবো না, সে সাহস আর শক্তি আমার নেই,,,,,।

আমাকে যদি এক দিনের জন্যও ভালো বাস্তে তাহলে আমার সাথে এই আচরণ করতে পারতে না, ভালো বাসলে ক্ষমা করতেও জানতে হয়, আসলে আমাকে তুমি কোনদিন ভালোই বাস নি... কিন্তু সময়ের ছলনায় আজ আমি সবার কাছে অপরাধি। আমাকে এভাবে দেখে যদি তুমি সুখ পাও তবে তাই হোক... :) আমি আজীবন এই নরকে জলতে রাজি...।



৬: আমি যাকে নিয়ে লিখতেছি সে আমার পাক্তন না যদিও সে আমার বর্তমান। তবে ভালোবাসা যে মানুষের জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে তার একটা চিত্র তুলে ধরবো আজকে।

প্রথমেই একটা কথা বলে নেই তা হলো প্রেমিকের থেকে বাবা মাকে বেশি ভালোবাসি সেটা বাবা মা জন্যেই হোক আর দায়িত্ববোধ থেকেই হোক। আর আমার জন্যে বাবা মা অনেক বেশি কষ্ট করে আজকের আমাকে বানিয়েছে।

তবে একটা বিষয় হলো যতোটুকু ভালোবাসলে ঠিক সারাজীবন একসাথে থাকা যায় ঠিক তার থেকেও বেশি ভালোবাসা পাইছি তার থেকে আর আমিও তাকে সেরকম ভালোবাসি ঠিক যতটা দরকার।

যাইহোক, প্রায় ১.৫ বছর আগে থেকে ওর সাথে আমার পরিচয় আর কিছুদিনের মধ্যেই ভালোবাসা টা অনেক বেশি হয়ে যায়। আগে বাড়ির সবার কথা ছিল আমার পছন্দই সবার পছন্দ, তাই আমার ধারণা ছিলো তাহলে ওরে নিয়ে কোনো ঝামেলা হবে না আমার বাড়িতে তাই মূলত রিলেশন এ যাওয়া। প্রথম সমস্যা শুরু হইলো বাড়ি থেকে বিয়ের জন্যে যখন বউ দেইখা একজনকে সেলেক্ট করলো তখন। শুরু হইলো আমার সাথে বাড়ির সবার তুমুল সমস্যা। আমি যখন আর মানলাম ই না তখন সবাই বাধ্য হইলো ওর সাথে বিয়ে দিতে।

এর পর ওর বাসায় বলার পর তারা আমার সাথে বিয়ে দিবেনা এবং আমার বাবা মায়ের সাথে কোনো কথা বললো না, এদিকে আমার বাবা মা আর দেরি করবে না অন্য কোথাও বিয়ে দিবে। কিছুদিন পর বিয়ে ঠিক করলো একজনের সাথে শুধু বিয়ের দিন ঠিক করা বাকি, ওইদিন আমি কান্না শুরু করলাম আর ও ঐদিন আব্বুকে ফোন দিয়ে অনেক কান্না করে পরে আব্বু বিয়ের দিন আর ঠিক করে না, এদিকে আমি মাইয়া কে সব বলছি তবে তারা তাতেও বিয়ে করতে রাজি আমাকে।

এদিকে পরে ওর বাড়ি থেকে আমার আব্বুর সাথে কথা বলে রাজি হইলো সবাই কিন্তু কয়েকদিন পর আবার আমার আব্বু আর ওর সাথে বিয়ে দিবে না আমাকে জানিয়ে দিল আর রমজানের ঈদের পরদিন বিয়ে ঠিক করলো তাদের পছন্দের মাইয়ার সাথে। শুরু হইলো আমার কান্না আমি কোনোভাবেই ওরে রেখে অন্য কেউ রে মানতে পারছি না, কোনকিছুতেই যখন কাজ হইলো না তখন সেই বিয়ে বাদ দিলো। এদিকে ওর বাড়ি থেকে যখন জানলো আমার বিয়ে ঠিক করছে তখন আবার তারা বিয়ে দিবেনা।

এখন আসি মূল সমস্যায়:
আমি একমাত্র পরিবারের উপার্জনের উৎস, আব্বু এখন আর তেমন কিছু করতে পারে না অসুস্থ একটু, আগে দোকান চালাতো। আমি যা বেতন পাই ত দিয়ে আমার পরিবার আর ওরে নিয়ে সাথে রেখে আমার চলা সম্ভব না, তাই ২ জনের ভাবনা ছিল করে ২ জন জব করবো তাইলে কোনো সমস্যা হবেনা, কিছুদিন কষ্ট করলে পরে ঠিক হয়ে যাবে।

এখন ওর সমস্যা, অসুস্থ ওরে দিয়ে জব করানো সম্ভব না আবার ও যদি জব না করে তাহলে আমার পক্ষে ওরে বিয়ে করা সম্ভব না কারণ আমার পরিবারের দেখাশুনা এবং ওর চিকিৎসা করা আমার পক্ষে সম্ভব না। আমার সাথে বিয়ে হলে আবার ওর বাড়ি থেকে কোনো ধরনের সাপোর্ট দিবে না।

এদিকে আমার আব্বু অসুস্থ সে আমার বউ দেখে যেতে চায়, তারা এখন বিয়ে করতে বলে কিন্তু এখন যদি জানতে পারে ও অসুস্থ তাহলে কোনোভাবেই আমাকে ওর সাথে বিয়ে দিবেনা। আমার হাতে কোনো সময় নেই যে আমি একটু দেরি করে সব গুছিয়ে নিবো।

এখন আমার কোনোদিকে শান্তি নাই, আমার জিবনটা ধ্বংস হয়ে গেলো শুধু মাত্র একটা রিলেশন করে, সারাজীবন এর জন্যে ওর ভালো থাকা শেষ করে দিলাম আর আমার ভালো থাকা ও শেষ; আমার পক্ষে সম্ভব না যে আরেকটা মাইয়ার সাথে সংসার করা আর ও কতটুকু পারবে আরেকটা ছেলের সাথে সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে। একটু সময়ের জন্যে চোখ বন্ধ করে ভাবলে আর পারি না ওরে ছাড়া, কিন্তু আমার হাতে আর কোনো অপশন নাই যেটা দিয়ে আমি সব কিছু ঠিক করে নিবো।

আজকে শুধুমাত্র আমার টাকার জন্যে বলা যায় আমি সব হারাতে বসছি, তাই বলবো সবাইকে সত্যিকারের ভালোবাসলে সব দিক ভেবে করাই ভালো নইলে ভালোবাসার দরকার নেই।


২ বছর আগেও যে আমি ছিলাম সব থেকে সুখী মানুষ আজ ঠিক তার থেকেও অনেক বেশি কষ্ট আছি শুধু ভালবাসার জন্যে। জীবন আমার এমন হয়ে যাবে কখনোই ভাবতে পারি নাই।

জীবন আসলেই অনেক বিচিত্র, পারলে তুমি ক্ষমা করে দিও আমাকে তবে একটা কথাই বলবো আমি অনেক বেশি খারাপ আছি আর তুমি সেটা বুঝ। বেচে থেকেও কিছুই করতে পারতেছিনা, চোখের সামনে সব আমার শেষ হয়ে যাচ্ছে, না পারছি তোমাকে রাখতে না পারছি পরিবারকে রাখতে। সবার কাছেই আজ আমি সব থেকে খারাপ মানুষটি, যার বেচেঁ থাকার কোনো অধিকার নেই।

একমাত্র মৃত্যুই পারে আমাকে পরম সুখের ছোঁয়ায় নিয়ে যেতে হয়তো। কাছে রাখতে পারবো কিনা জানি না তবে আমি ভালো থাকবো না তোমাকে ছাড়া জান রে।

ওর সুস্থতার জন্যে সবার কাছে একটু দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো ভাল করে।



৭: তুমি আমার জিবন থেকে চলে গেছো ঠিকি। সেই মুহুর্তে আমার অনেক কষ্ট হলেও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমার যেই বিশ্বাসটা ভেঙে গিয়েছিলো তা হয়তো আর কখনোই জোড়া লাগবেনা। এখন যানো, চাইলেও আর কাউকে বিশ্বাস করতে পারিনা। ভাবি এই বুঝি আমার মনটাকে আবার কেউ ভেঙে চুরমার করে ফেলবে।

বিশ্বাস করো আবার সেই কষ্টটা আমি আর সহ্য করতে পারবোনা। অনেক কষ্টে নিজেকে সামলেছি। কারো বেশি ভালোবাসা দেখলেই ভয় হয়। হারানোর ভয়। না পাওয়ার ভয়। কারো জিবন থেকে চলে যাওয়াটা খুব সহজ, কিন্তু তার হাসি খুশি জিবনটা ফিরিয়ে দেওয়া খুব কঠিন। সরি বললেই সব শেষ হয়না। পারবে আমার সেই ভালো থাকার দিন গুলো ফিরিয়ে দিতে? কারণ এখন আর চাইলেও ভালো থাকতে পারিনা।

অন্ধকার ঘরে একা বসে থাকতেই ভালো লাগে। কারণ নিজের অজান্তে তোমার জন্য চোখের পানি চলে আসলে অন্ধকার ঘরে সেটা কেউ দেখতে পাবেনা। অথচ আমি এমন ছিলাম না। খুব চনচল একটি মেয়ে ছিলাম আমি। ফ্রেন্ডদের মধ্যে সবচেয়ে হাসি খুশি মেয়েটি আজ সবচেয়ে বিষন্ন। তারপরও বলবো তুমি ভালো থেকো তোমার নতুন জিবন নিয়ে। আমি না হয় আমার মতই সুখে থাকার অভিনয় করে যাবো।



৮: ৪বছর পিছে পিছে ঘোরা ৪বছর প্রেম অতপর ব্রেকাপ ৮টা বছর আমার জীবনের সাথে জড়িত ছিলে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হয়তো পরিস্থিতি কিংবা তুমার না চাওয়াই আমার কাছে থেকে তুমার চলেযাওয়ার কারণ।

তুমার চলে যাওয়াতে আমি জীবনে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি তবে, তুমাকে কোনদিন দোষারোপ করিনি কারণ হয়তো তুমি আমার কপালে ছিলেনা তাই আর তুমাকে আমার পাওয়া হয়নি।

অনেক কষ্ট হয়েছে তবে মানিয়ে নিয়েছি সময় আর নিজের সাথে প্রতিনিয়ত যোদ্ধ করতে করতে

আমি সম্পর্কের শুরুতে চেয়েছিলাম, আমি তুমার সাথে থাকি না থাকি তুমি যেখানে থাকো সেখানে সুখে শান্তিতে থাকতে পারো। আজকে আমি অনেক খুশি কারণ অন্যের ঘরের ঘরণী হয়েও আমাকে ছাড়া তুমি সুখি।



৯: আমার এক্স গার্লফ্রেন্ড মিমির বিয়ের আগের দিন তার বান্ধবীর ফোন থেকে আমার সাথে কথা বলছিলো,, সেদিনের পর থেকে আমার এক্সের বান্ধবীর সাথে প্রতিদিনিই কথা হতো,সেও ফোন করতো আমিও ফোন করতাম। তার নাম ছিলো আফরিন,সে সবসময় আমাকে শান্তনা দিতো,বলতো যে " ভাইয়া, যা হবার তা তো হয়েই গেছে, আমার বান্ধবী কে ভুলে যান,আবার নতুন করে রিলেশন শুরু করেন অন্য কারো সাথে " যদিও নতুন রিলেশনে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে ছিলো না আমার,কিন্তু সে প্রতিদিনিই আমাকে বলতো যে 'দরকার হলে আমি আপনাকে মেয়ে খুঁজে দেবো,শুধু আপনি বলেন যে প্রেম করবেন কি না'

আসলে আফরিন আমাকে ইনডাইরেক্টলি বুঝাইতো যে সে আমাকে পছন্দ করে, একদিন সে নিজেই আমাকে প্রপোজ করলো,আমিও কোনো কিছু না ভেবেই রাজি হয়েছিলাম।

যাইহোক, এক সময় আফরিনের সাথেও আমার ব্রেকআপ হয়ে যায়। তার সাথে রিলেশন টা ছিলো ৩ মাস। ব্রেকআপের মূল কারন সে ছিলো একটা লোভী আর নাম্বার ওয়ান কিপ্টা মেয়ে, সবসময় আমাকে মিসকল দিতো আর আমাকে কল ব্যাক করতে হতো! শুধু এটাই না,দেখা করলেই শপিং এর জন্য বাহানা করতো,এটা ওটা গিফ্ট জোর করে চেয়ে নিতো আমার কাছে,অথচ সে আমকে ভালোবাসা দিবসে শুধু একটি কলম গিফ্ট করছিলো! আর খাওয়ার কথা আর কি বলবো! তাকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে ঢুকলে সবসময় দামী খাবার খেতো,শুধু তাই নয়...বাসায় নিয়ে খাওয়ার জন্য প্যাকেট করেও নিতো!

মাত্র ৩ মাসে প্রায় আমি ফকির হয়ে গেছিলাম!শেষ পর্যন্ত না পেরে আফরিনের সাথেও ব্রেকআপ দিছি....



১০: কেউ কাওকে ছাড়া থাকতে পারবে না এটা চরম পর্যায়ের মিথ্যা কথা। আমরা একা থাকা শিখে যাই। শুধু সেই আবেগ গুলো আর সতেজ থাকে না।

প্রিয় মানুষটা বৃষ্টি পছন্দ করতো। বৃষ্টি হলে রোজ তার আবদার বৃষ্টিতে ভিজবে। আমি আবার বৃষ্টির মধ্য রোমান্টিক কি আছে বুঝতাম না আমি জানি বৃষ্টি হলে ফুটবল নিয়ে মাঠে দৌড় দিবো। কিন্ত প্রিয় মানুষটা শিখিয়ে দিয়েছিলো বৃষ্টিকে চোখ বন্ধ করে অনুভব করতে হয়। কিন্ত প্রিয় মানুষটা একসময় হারিয়ে গেলো আমার বৃষ্টি ভিজার ইচ্ছা টা আজও রয়ে গেলো। আমি ভিজি কিন্ত একা। এখনের বৃষ্টিগুলো আমাকে বিষন্নতা দেই।

প্রিয় মানুষটা আমাকে জোছনা দেখিয়ে শিখিয়ে ছিল জোছনা কতটা সুন্দর হয়। কিন্ত আমি অনুভব করা শিখার পর সে হারিয়ে গেলো।

আচ্ছা প্রিয় মানুষগুলো যদি হারিয়ে যাবে আমাদের অনুভব করা শিখিয়ে যাই কেন? তারা কি বুঝে না? তারা গেলে আমরা কতটা মানসিক ভাবে হারিয়ে যাই!!


আমাদের অ্যাপ

Post a Comment

কমেন্টে স্প্যাম লিংক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন

Previous Post Next Post