Facebook SDK


ভ্যালেন্টাইনস ডে কেনো পালন করা হয় valentine's day history in bangla


খ্রিস্টান ধর্মে পাদ্রীদের বিয়ে করার সংস্কৃতি নেই। এরা সারা জীবন অবিবাহিত অবস্থায় থাকে।

কিন্তু প্রেম বিবাহ এসব মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। প্রেম ভালোবাসা নারী-পুরুষের পারস্পরিক আকর্ষণ, সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত একটি নেয়ামত। মানুষ ইচ্ছা করলেও সম্পূর্ণ ভাবে এই দৈহিক সম্পর্ক থেকে মুক্ত থাকতে পারে না।

কিন্তু খ্রিস্টান ধর্মে পাদ্রীরা বৈরাগ্যবাদী এক জীবনযাপন করে। কিন্তু এই পাদ্রীরাও এসব মানবিক বৈশিষ্ট্য থেকে মুক্ত হতে পারে না। কখনও কখনও গীর্জার মাঝেই ধর্ষণ করে- আবার কখনও কখনও নারী বৈরাগ্যবাদীদের সাথে গড়ে তোলে অবৈধ সম্পর্ক। বৈধ সম্পর্কে বিয়ের ধার না ধারলেও অবৈধ প্রেমেই জীবন কাটায় তারা। 

এমনই এক পাদ্রী হলো ভ্যালেন্টাইন। যাকে এক রাজা গ্রেফতার করে জেলে বন্দি করে রাখে। আর কারাগারের কারারক্ষির অন্ধ মেয়ের সাথে গড়ে তোলে অবৈধ সম্পর্ক এই পাদ্রী। এই দুশ্চরিত্র পাদ্রীর স্মরণেই ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে 'ভ্যালেন্টাইন'স ডে' নামে পালন করা হয়। ঘোষণা করেন ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউ ও ১ম জুলিয়াস। 

উইকিপিডিয়াতে ভ্যালেন্টাইনস ডে কে বলা হয়েছে একটি খ্রিস্টীয় সংস্কৃতি হিসেবে। আর এই দিনের সাথে ভালোবাসার নূন্যতম কোনো সম্পর্ক বিদ্যমান নেই। এই দিনটাই উদযাপন হয় এক দুশ্চরিত্র খ্রিস্টান পাদ্রীর স্মরণে। যাদের জীবনে পবিত্র ভালোবাসা বলে কিছুই নেই। তারা জীবনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় না। যাদের জীবনই কাটে অবৈধ প্রেম আর শারীরিক সম্পর্কের মাঝে। তেমনি একজন পাদ্রীর স্মরণে পালন করা ভালোবাসা দিবস এটা হাস্যকর। একজন মুসলিমের জন্য এই দিবস পালন করার মতো লজ্জাজনক কোনো ঘটনা হতেই পারে না। 

খ্রিস্টানদের সংস্কৃতি একজন মুসলিম হয়ে কিভাবে পালন করি? তাও একজন পাদ্রীর স্মরণে! রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
ﺃَﺑْﻐَﺾُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺛَﻼَﺛَﺔٌ : ﻣُﻠْﺤِﺪٌ ﻓِﻲ ﺍﻟﺤَﺮَﻡِ، ﻭَﻣُﺒْﺘَﻎٍ ﻓِﻲ ﺍﻹِﺳْﻼَﻡِ ﺳُﻨَّﺔَ ﺍﻟﺠَﺎﻫِﻠِﻴَّﺔِ، ﻭَﻣُﻄَّﻠِﺐُ ﺩَﻡِ ﺍﻣْﺮِﺉٍ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺣَﻖٍّ ﻟِﻴُﻬَﺮِﻳﻖَ ﺩَﻣَﻪُ 

আল্লাহর নিকট তিন শ্রেণীর লোক সবচেয়ে বেশী ঘৃণিত– ১ম শ্রেণী হচ্ছে, যারা হারাম শরীফের মধ্যে কুফরি কার্যকলাপ করে। ২য় শ্রেণী হচ্ছে, যারা ইসলামে থাকা অবস্থায় (মুসলমান হয়েও) জাহিলিয়্যাতের রীতি–নীতি ও আদর্শ (কাফের মুশরিকদের অনুকরণ–অনুসরণ) পালন করে। ৩য় শ্রেণী হচ্ছে, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো রক্ত প্রবাহিত করে। (বুখারী ৬৮৮২ দিয়াত অধ্যায়)। 

বিজাতির অনুসরণ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ﻣَﻦْ ﺗَﺸَﺒَّﻪَ ﺑِﻘَﻮْﻡٍ ﻓَﻬُﻮَ ﻣِﻨْﻬُﻢْ যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরন করবে সে ব্যক্তি সে জাতির মধ্যে গণ্য হবে। (আবু দাউদ ৩৫১২)।

একটু চিন্তা করো হে যুবক- 

একজন দুশ্চরিত্র পাদ্রীর স্মরণে উদযাপিত দিবস পালন করে তার অন্তর্ভুক্ত হবা নাকি নিজের ঈমান আমল সুরক্ষিত রাখার জন্য এসব পশ্চিমা সংস্কৃতি বর্জন করে মুসলিম থাকবা...? 

লেখা: Masum Bin Ashique

ভ্যালেন্টাইনস ডে বর্জন করুন
এটা মুসলমানদের সংস্কৃতি না না না!
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

Post a Comment

কমেন্টে স্প্যাম লিংক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন

Previous Post Next Post