খালাতো বোনকে বিয়ে করেছি! সে আমাকে স্বামী বলে মানলেও কথায় কথায় ভাইয়া ডাকে
ছোট গল্প - খালাতো বোনকে বিয়ে করেছি - কথায় কথায় ভাইয়া ডাকে!


খালাতো বোনকে বিয়ে করেছি!
সে আমাকে স্বামী বলে মানলেও কথায় কথায় ভাইয়া ডাকে। 

সেদিন বললাম, আম্মুর থেকে আমার কথা বলে ১ হাজার টাকা আনো! 

সে আম্মুকে গিয়ে বলছে, ভাইয়া বলছে ১ হাজার টাকা দিতে!আমাকে ভাইয়া ডাকতে শুনে আম্মু রীতিমতো অবাক! আমি তাকে হাজার বার বলছি, আমাকে ভাইয়া ডেকো না, লোকে মন্দ বলবে। 

প্রতিবার উত্তরে সে বলে, আপনি তো আমার ভাইয়া, ছোটোবেলা থেকে ভাইয়া ডেকেছি, এখন এটা ছাড়তে পারবো না। 

রাগ কন্ট্রোল করে চুপ থাকি। অন্যদিকে বউ আমাকে ভাইয়া ডাকে, এটা পুরো মহল্লা জেনে গেছে। বন্ধু মহলও এর থেকে বিকল্প নয়। 

সেদিন বউকে নিয়ে শপিং থেকে ফেরার পথে দুটো ছেলে আমাদের দেখে বলতাছে "আহা ভাইবোনের কি ভালোবাসা"! এটা শুনে মেজাজ গরম করে ছেলেটাকে মারতে গেলাম! বউ আটকিয়ে বলল, রাস্তার ছেলেদের মারতে নেই ভাইয়া! মেজাজ গেল আরো রেগে! দিলাম বউকে ঠাটিয়ে থাপ্পড়। 

থাপ্পড় খেয়ে কান্না করতে করতে বউ বলল আমাকে মারলেন কেন ভাইয়া? তারপর আমি জ্ঞান হারালাম। পরের দিন, বউ আমাকে বলে, এখন শরীর কেমন লাগছে ভাইয়া!!! 

ভাইগো! তোগো দুইডা পা ধরি! জীবনেও কেউ মামাতো বোন, চাচাতো বোন, ফুফাতো বোন, খালাতো বোন, ক্লাসমেট বিয়ে করিস না! —লেখা: সংগৃহীত 

[ বি.দ্র: খালাতো, মামাতো, চাচাতো, ফুফাতো বোনকে বিয়ে করা ইসলামে জায়েজ। আর ‘প্রিয়তমা’ স্ত্রীর গালে এভাবে থাপ্পর দেয়াও জায়েজ নয়। 

উল্লেখ্য: স্বামী-স্ত্রী পরস্পপরকে ভাই বোন বলে সম্বোধন করা নিষেধ। 

এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বোন বলে সম্বোধন করলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এভাবে সম্বোধন করতে নিষেধ করেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, বর্ণনা ১৯৫৩১)। 

তাই দুষ্টুমির ছলেও এভাবে সম্বোধন করা থেকে বিরত থাকবে।] 



Post a Comment

কমেন্টে স্প্যাম লিংক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন

Previous Post Next Post