কুরআনে বর্ণিত সবচেয়ে শক্তিশালী খাবার কোন টি
রাসূল সাঃ বলেছেন এমন একটি ফল গাছ রয়েছে যে ফল গাছের পাতা কখনো নুয়ে পড়ে না । তোমরা যদি সেই ফল গাছ থেকে ফল খাও তাহলে তোমাদের ও যৌবন শক্তি নুয়ে পড়বে না । মনে রাখবে দুর্বল মুমিনের চেয়ে শক্তশালী মুমিন আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়। তাই সব সময় নিজের শারীরিক শক্তি কে চাঙ্গা রাখার জন্যে তোমরা এই ফল খাবে। 


কুরআনে বর্ণিত সবচেয়ে শক্তিশালী খাবার কোন টি

রাসূল সাঃ বলেছেন এমন একটি ফল গাছ রয়েছে যে ফল গাছের পাতা কখনো নুয়ে পড়ে না । তোমরা যদি সেই ফল গাছ থেকে ফল খাও তাহলে তোমাদের ও যৌবন শক্তি নুয়ে পড়বে না । মনে রাখবে দুর্বল মুমিনের চেয়ে শক্তশালী মুমিন আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়। তাই সব সময় নিজের শারীরিক শক্তি কে চাঙ্গা রাখার জন্যে তোমরা এই ফল খাবে। 

এই সম্পর্কে বোখারী শরীফের ৬২ নম্বর হাদীসে আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাঃ বলেন বিশ্বনবী একদিন সমস্ত সাহাবীদের একসাথে করে বলেছেন, সাহাবীরা বলতো গাছগাছালির মধ্যে এমন একটি গাছ আছে যার পাতা ঝড় পড়ে না এবং এই গাছের পাতা শুকিয়ে গেলে নুয়েও পড়ে না । তো তোমরা কি বলতে পারবে সেই গাছটি কি? তারপর  সাহাবীরা অবাক হয়ে রাসুল সাঃ এর দিকে তাকিয়ে রইলেন। এবং বিভিন্ন বন জঙ্গলের বিভিন্ন গাছের কথা বলতে লাগলেন । তো বাস্তব পক্ষে এমন কোনো গাছ খুঁজে পাওয়া গেলো না । আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাঃ তখন ছোট ছিলেন বাচ্চা ছিলেন । তখন সে মনে মনে ধরে নিয়েছিল এটা আরবের মরুভূমির কোনো গাছ হবে। 

কিন্তু যেহেতু সে ছোট ছিলো সে বললো আমি মনে মনে চিন্তা করলাম বড় বড় সাহাবীরা যেখানে পারছেন না আমি ছোট মানুষ হয়ে কিভাবে সেখানে উত্তর দেই? আমি লজ্জায় ছিলাম এবং বলতে চাইছিলাম নিঃসন্দেহে সেই গাছটি হলো খেজুর গাছ। কিন্তু তখন এ সকল সাহাবীরা আল্লাহর রাসূল সাঃ কে বললেন ইয়া রাসুুল্লাহ আপনিই বলে দিনসেই গাছটার নাম কি? তখন রাসূল সাঃ বললেন গাছটি হচ্ছে খেজুর গাছ। খেজুর অত্যান্ত পাওয়ারফুল একটি খাবার। 

কুরআনে বর্ণিত সবচেয়ে পাওয়ারফুল খাবারের নাম হচ্ছে খেজুর । আপনারা হয়ত অবাক হচ্ছেন কুরআনের কোথায় বলা হয়েছে খেজুর সবচেয়ে পাওয়ারফুল খাবার ? দেখুন সূরা মরিয়ম এ আল্লাহ তায়ালা বলেন, মরিয়মের গর্ভে বাচ্চা আসার পর যখন সে ভয়ে তার গোত্র থেকে দূরে মরুভূমিতে চলে গেলো তখন সে কান্না করছিল । কান্না করতে করতে এক খেজুর বৃক্ষের নিচে তার প্রসব বেদনা শুরু হয়ে গেলো। এবং সে ওই গাছের নিচে আশ্রয় গ্রহণ করতে বাধ্য হলো।  তখন  মরিয়ম আঃ কান্না করতে লাগলো এবং আল্লার নিকট প্রার্থনা করতে লাগলো। 

তারপর উপর থেকে ফেরেশতাদের আওয়াজ আসলো , হে মরিয়ম তুমি কান্না করো না তোমার পায়ের নিচে একটা ঝর্না আল্লাহ তায়ালা জারি করে দিয়েছেন।  সুবহানাল্লাহ তুমি যে খেজুর গাছের নিচে আছো তার কাণ্ডে নাড়া দাও। দেখবে সে খেজুর গাছ হতে সুস্বাদু খেজুর পতিত হবে । তুমি সেই খাবার খাও এবং ঝর্না হতে পানি পান কর। এবং তোমার সন্তানের দিকে তাকিয়ে চক্ষু শীতল করো। কেননা পিতা বিহীন একমাত্র এই সন্তান তোমার কোলে এই জন্যে দিয়েছি কেননা তার  মাধ্যমে  আমি এই পৃথিবীতে মানব জাতির হেদায়েতের জন্যে উপদেশ বাণী নাযিল করবো। 

এছাড়াও এই পৃথিবীর বুকে সে হতে যাচ্ছে এমন এক শিশু যে আমার হুকুমই কবরের মৃত মানুষ কে জিন্দা করবে।  আল্লাহু আকবার । হে মরিয়ম তুমি এই খেজুর খাও কেননা এ ই খেজুর সব থেকে শক্তিদায়ক খাবার । আর  এই খেজুর খাবার পর তুমি তোমার সন্তান কে দুগ্ধ পান করতে পারবে। সুবহানাল্লাহ।

হযরত মরিয়ম (আঃ) এর যখন দুর্বিষহ তখন আল্লাহ তায়ালা তাকে খেজুর দিয়ে সাহায্য করেছিলেন । কেননা আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি শ্রেষ্ঠ এই খাবার টি মানুষ কে শক্তি দেয়। হাদীস শরীফে আছে যে ব্যাক্তি প্রতিদিন সকাল বেলা  ৭ টি করে আজুয়া খেজুর খাবে তাহলে সন্ধার আগ পর্যন্ত কোনো জাদুটোনা বদনজর এমনকি কোনো বিস্ক্রিয়া তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না । 

প্রিয় পাঠক আসুন প্রতিদিন সাতটি করে খেজুর খাবার চেষ্টা করুন । রাসূল সাঃ এর সুন্নাহ কে সমুন্নত রাখুন । নিজের দৌহিক ক্ষমতা ও শক্তি কে বলিষ্ঠ রাখুন। কারণ বলিষ্ঠ মুসলিম ই এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারবে। ইনশাআল্লাহ -  সূত্র: আলোর পথ Multimedia

Post a Comment

কমেন্টে স্প্যাম লিংক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন

Previous Post Next Post